মেসিরা মাঠে ফেরায় সমর্থকদের উচ্ছ্বাস

প্রায় তিন মাসেরও বেশি সময় পর ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনার মাঠে ফেরায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন সমর্থকরা। ম্যাচ উপভোগে তারা একত্রিত হন স্পেনের কাতালুনিয়ার বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট ও পাবগুলোতে। পাশাপাশি হতাশাও প্রকাশ করেছেন তারা স্টেডিয়ামে বসে সরাসরি ম্যাচ উপভোগ করতে না পারার জন্য।

এটা নিশ্চিত ভাবেই আনন্দের উপলক্ষ। একই সঙ্গে বিশাল হতাশারও। দীর্ঘ দিন পর মাঠে ফিরছে প্রিয় দল। কিন্তু বিধি নিষেধের কারণে উপায় নেই গ্যালারিতে বসে সেই ম্যাচ উপভোগের। তাই বলে কি বাদ পড়বে খেলা দেখা!

ফুটবলটা যাদের কাছে ধ্যান, অন্তর দিয়ে তারা উপলব্ধি করেন এর সৌন্দর্য। থাকতে চান না বঞ্চিতের খাতায়। আর তাই স্পেনের রেস্টুরেন্ট পাবগুলোতে এদিন ছিলো উপচে পড়া ভিড়। গ্যালারির উত্তাপ হয়তো ছোঁয়া যায়নি। তবে এই আনন্দটাই বা কম কিসের!

এক সমর্থক বলেন, এটা সময়ের ব্যাপার। আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেছি। অবশেষে সেই পালা ফুরিয়েছে। এখানে যেই জামায়েত হয়েছে আমাদের সেটা স্টেডিয়ামে হলে ভালো লাগতো। আশা করছি সেই দিনও দ্রুতই আসবে।

অপর একজন বলেন, এটা খুব আনন্দের। আবারো মাঠে খেলা ফিরছে। ফুটবলটা আমাদের প্রাণের সঙ্গে মিশে আছে। আর খুবই ভালো লাগছে বার্সেলোনার এমন প্রত্যাবর্তনে। সামনের দিনে ওরা আরো ভালো করবে।

করোনা ভাইরাসের বিশাল একটা ঝড় বয়ে গেছে স্পেনের কাতালুনিয়ায়। সেখানে মৃতের সংখ্যা পাঁচ হাজারের বেশি। তবে সংক্রমণের হার কমে আসায় অনুমতি মিলেছে একত্রে ফুটবল ম্যাচ উপভোগের। সেই সুযোগটা হাতছাড়া করেনি বার্সা ভক্তরা।

এক ফুটবলভক্ত বলেন, আমি খুব বাজে ভাবে মিস করছিলাম এই দিনগুলো। এটা ঠিক আমাদের এখানে পরিস্থিতি ভালো ছিলো না। তবে এখন সব কিছু স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আশা করছি সব কিছু খুব দ্রুত আবার আগের মত হয়ে যাবে।

ভক্তদের এমন উন্মাদনায় পানি ঢালেনি বার্সেলোনা। ফেরার ম্যাচটা তারা ঠিকই রাঙ্গিয়েছে জয় দিয়ে। তবে হাহাকারটাও নিশ্চয়ই ছুঁয়ে গেছে তাদের। কারণ ফুটবলটা তো মেসি সুয়ারেজরা খেলেন ভক্তদের জন্যই।