মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য ডিএমপির নির্দেশনা

করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের মাস্ক পরিধান করে কেন্দ্রে আসার জন্যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রের প্রবেশ পথে তাপমাত্রা পরিমাপের জন্যে থার্মাল স্ক্যানার, জীবানুনাশক অটো স্প্রে মেশিনসহ হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা থাকবে।

বুধবার (৩১ মার্চ) মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণকারী সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় সভা করেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। সভায় উল্লিখিত নির্দেশনাসহ বেশ কিছু নির্দেশনা গৃহীত হয়েছে।

গৃহীত ব্যবস্থাগুলো হলো- মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা কেন্দ্রে মোতায়েন থাকবে পর্যাপ্ত পুলিশ। সেই সঙ্গে প্রতিটি কেন্দ্রে থাকবে মোবাইল কোর্ট। পরীক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ব্যতীত অন্যকোন কাগজ সাথে নিতে পারবে না। পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় সকল পরীক্ষার্থীর দেহ তল্লাশি করে প্রবেশ করানো হবে। কেন্দ্র ইনচার্জ ব্যতীত কেউ মোবাইল ফোন কাছে রাখতে পারবে না। তল্লাশি কাজে থাকবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের প্রতিনিধিগণ। ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে সকল প্রকার গুজব বা প্রোপাগান্ডা ছড়ানো রুখতে সোশ্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন অ্যাপস ভিত্তিক বিভিন্ন গ্রুপ (হোয়াটস অ্যাপ্স, মেসেঞ্জার, ভাইভার, ইমু ইত্যাদি) যোগাযোগ মাধ্যম মনিটরিং করবে ডিএমপি’র সাইবার সিকিউরিটি বিভাগ।

সভাপতির বক্তব্যে ডিএমপি কমিশনার বলেন, একটি স্বচ্ছ মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন করতে আমরা সব ধরণের প্রস্তুতি নিয়েছি। যারা যোগ্য তারাই এই পরীক্ষার মাধ্যমে মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পাবে।

করোনাভাইরাসের কারণে গণপরিবহনে আসন সংখ্যার অর্ধেক যাত্রী পরিবহনে সরকারি নির্দেশনা আছে। যার ফলশ্রুতিতে পরিবহন সংকট দেখা দিতে পারে। পরিস্থিতি বিবেচনায় মেডিকেল পরীক্ষায় অংশ গ্রহণকারীরা অবশ্যই পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।

আইন-শৃঙ্খলা ডিউটিতে নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে ডিএমপি কমিশনার বলেন, পুলিশের যে সকল সদস্য মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ডিউটিতে নিয়োজিত থাকবে, তাদেরকেও অবশ্যই মাস্ক পরিধানসহ যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

উল্লেখ্য, ২ এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ঢাকা মহানগরের ১৫টি কেন্দ্রে অংশগ্রহণ করবে ৪৭ হাজার শিক্ষার্থী।

সমন্বয় সভায় উপস্থিত ছিলেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) পোস্ট গ্রাজুয়েট স্টাডিজ-এর ডিন প্রফেসর ড. অলোক কুমার পাল। ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. টিটু মিয়া, মুগদা মেডিকেল কলেজের অ্যাসিস্টেন্ট প্রফেসর ডা. এম এ হামিদ, ঢাকা ডেন্টাল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. আ ফ ম সারোয়ার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (এ্যাক্টিং) আবু হোসাইন মো. আহসান ও স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের ডেপুটি সেক্রেটারি মোহাম্মদ আব্দুল কাদেরসহ মেডিকেল কলেজ ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্রের প্রতিনিধি, ডিএমপি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা।