মেডিকেল–বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায়ও পরিবর্তন আনার পক্ষে শিক্ষামন্ত্রী

করোনা মহামারির মধ্যে বিষয় ও নম্বর কমিয়ে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি চাইছেন, মেডিকেল ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষাও যেন এই পাঠ্যসূচির ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়।

আজ রোববার এইচএসসি ও সমমানের ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।

দীপু মনি বলেন, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা যে পাঠ্যসূচির (পুনর্বিন্যাস করা সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচি) ভিত্তিতে হয়েছে, সেই পাঠ্যসূচির ওপরই মেডিকেল ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষা হওয়া যৌক্তিক ও সঠিক। তাঁর মনে হয় না এর বাইরে কেউ ভর্তি পরীক্ষা নেবেন। কেউ চাইলে তাঁদের অনুরোধ করা হবে।

করোনা সংক্রমণের কারণে দীর্ঘ অপেক্ষার পর গত ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হয় ২০২১ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। তবে সব বিষয়ে পরীক্ষা হয়নি। গ্রুপভিত্তিক তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে অনুষ্ঠিত হয় এই পরীক্ষা, তা–ও কম নম্বরের ভিত্তিতে হয়।

অর্থাৎ মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীরা যাঁর যাঁর গ্রুপের তিনটি বিষয়ের ছয়টি পত্রে পরীক্ষা দিয়েছেন, যার ফল প্রকাশিত হলো আজ।

২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা কবে নাগাদ হতে পারে, জানতে চাইলে দীপু মনি বলেন, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা কখন হবে, সেটি এই মুহূর্তে বলা সম্ভব নয়। এটি করোনার অতিমারির গতি–প্রকৃতির ওপর নির্ভর করবে। তবে তাঁরা আশা করছেন, এ বছরের মাঝামাঝিতে হয়তো নেওয়া যাবে।