মুসলিম নির্যাতন: যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা নিষেধাজ্ঞা চীনের

শিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলিমদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ পুরনো। এই ইস্যুতে এবার উত্তপ্ত চীর বৈরী যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্ক। মানবাধিকার লংঘনের অভিযোগে ৪ চীনা কর্মকর্তার উপর সোমবার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। তার কিছু পর যুক্তরাষ্ট্রের ২ সিনেটরসহ কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পাল্টা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে চীন।

সোমবার(১৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরপরই চীন পাল্টা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলো। এতে দেশ দুটির মধ্যে আবারো উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার আওতায় দুই সিনেটর ছাড়াও আরো ২ জন উর্ধতন কর্মকর্তা রয়েছেন। তার আগে বেইজিং যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা নিষেধাজ্ঞার নিন্দা জানিয়ে এর বিরুদ্ধ ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দেয়।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখপাত্র হুয়া চুনয়িং বলেন, ‘চীনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া নিষেধাজ্ঞা বিশ্ব রাজনীতিতে বৈরী প্রভাব ফেলবে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি তো করবেই। চীন এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চীনের এই সিদ্ধান্তকে অমান্য করার কোনো সুযোগ নেই।’

চীনের দেয়া এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ব্যক্তিগণ চীনের কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লেনদেন অথবা চীন ভ্রমণ করতে পারবেন না। চীন অথবা চীনের মিত্র কোনো দেশর সঙ্গে এই কর্মকর্তারা যুক্ত হতে পারবেন না কোনো বাণিজ্যিক কার্যক্রমে।

এর আগে, উইঘুর মুসলিমসহ সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার লংঘনের অভিযোগে ৪ চীনা কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) পলিটব্যুরোর সদস্য চেন কাংগুয়ো এবং আরো তিন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এ নিষেধাজ্ঞার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এই চীনা কর্মকর্তাদের কোনোরকম লেনদেন নিষিদ্ধ হওয়াসহ তাদের সম্পদ জব্দ হওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণও নিষিদ্ধ করা হয়।