মার্কিন হামফ্রে ফেলোশিপে আবেদন চলছে, টোফেলে ৫২৫ পেতে হবে

২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের জন্য হিউবার্ট এইচ হামফ্রে ফেলোশিপ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণে ইচ্ছুকদের বার্ষিক প্রতিযোগিতার জন্য আবেদনপত্র নেওয়া হচ্ছে। এ ফেলোশিপ এক বছর মেয়াদি। সরকারি, বেসরকারি ও বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত পেশাজীবীদের জন্য উন্মুক্ত এ ফেলোশিপ। ঢাকার যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের পাবলিক অ্যাফেয়ার্স সেকশন এসব তথ্য জানিয়েছে।

হিউবার্ট এইচ হামফ্রে ফেলোশিপ কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অন্যতম ফুলব্রাইট কার্যক্রম। এর মাধ্যমে মেধাবী তরুণ ও মধ্যম পর্যায়ের পেশাজীবীরা যুক্তরাষ্ট্রে ডিগ্রিবিহীন এক বছরের স্নাতক স্তরের শিক্ষা গ্রহণ, নেতৃত্বের উন্নয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কাজের মাধ্যমে পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ পেয়ে থাকেন। এ কর্মসূচি ভবিষ্যতের নেতৃত্ব ও নীতিনির্ধারকদের যুক্তরাষ্ট্রের সমাজ, সংস্কৃতি ও পেশাগত ক্ষেত্রগুলোর সঙ্গে পরিচিত করার মাধ্যমে আমেরিকানদের সঙ্গে বিদেশি পেশাজীবীদের একটি স্থায়ী ও ফলপ্রসূ সম্পর্ক গড়ে তোলার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

হামফ্রে কর্মসূচিটি প্রয়াত সিনেটর ও ভাইস প্রেসিডেন্ট হিউবা‍র্ট এইচ হামফ্রের স্মৃতি ও কৃতিত্বের প্রতি সম্মান জানাতে ১৯৭৮ সাল থেকে চালু হয়।

ফেলোশিপের জন্য নির্ধারিত কিছু বিষয় বা খাত আছে। মানব ও প্রাতিষ্ঠানিক সামর্থ্য: অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জননীতি বিশ্লেষণ ও জনপ্রশাসন, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা।
অধিকার ও স্বাধীনতা: যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা, আইন ও মানবাধিকার, মানব পাচার নীতি ও প্রতিরোধ।

টেকসই ভূমি: কৃষি ও পল্লি উন্নয়ন, প্রাকৃতিক সম্পদ, পরিবেশগত নীতি ও জলবায়ু পরিবর্তন, নগর ও আঞ্চলিক পরিকল্পনা।

সমৃদ্ধিশালী সম্প্রদায়: ছোঁয়াচে ও সংক্রামক রোগ, জনস্বাস্থ্য নীতি ও ব্যবস্থাপনা, এইচআইভি/এইডস, নীতি ও প্রতিরোধ, মাদকের অপব্যবহারবিষয়ক শিক্ষা, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ, শিক্ষা প্রশাসন, পরিকল্পনা ও নীতি, উচ্চশিক্ষা প্রশাসন।

এ ফেলোশিপে আবেদনের জন্য নিম্নলিখিত মানদণ্ডগুলো পূরণ করতে হবে—
*বাংলাদেশি নাগরিক এবং আবেদন করা ও আবেদনপত্র বাছাইপ্রক্রিয়া চলাকালীন বাংলাদেশে অবস্থান করতে হবে। দ্বৈত নাগরিক (বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র) কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দা হওয়া যাবে না।
*আবেদনকারীকে অবশ্যই তরুণ ও মধ্যম পর্যায়ের নেতৃত্বশীল পদে থাকা পেশাজীবী হতে হবে, যার জনসেবায় দৃষ্টান্তমূলক কাজ ও পেশাগত জীবনে অগ্রগতির সম্ভাবনা রয়েছে।
*সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন এমন কেউ হতে পারবেন না।
*পূর্ণকালীন শিক্ষার্থী হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কমপক্ষে চার বছরের শিক্ষা কার্যক্রম শেষ করার সনদ থাকতে হবে।
*বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি অর্জনের পর সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ন্যূনতম পাঁচ বছরের পূর্ণকালীন কাজ করার পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকতে হবে (২০২২ সালের আগস্টের আগে) এবং তাদের শিক্ষা ও কাজসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের নীতিগত দিকগুলোতে আগ্রহ থাকতে হবে।
*শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কিংবা একাডেমিক গবেষক এ ফেলোশিপের জন্য বিবেচিত হবেন না, তাঁদের অবশ্যই ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে (ব্যতিক্রম হিসেবে বিবেচিত হবেন যদি কেউ মাদকের অপব্যবহারবিষয়ক শিক্ষা, প্রতিরোধ ও চিকিৎসা এবং বিদেশি ভাষা হিসেবে ইংরেজি শেখানোর দায়িত্ব পালন করেন)।

*২০২২ সালের আগস্ট মাসের পূর্ববর্তী সাত বছরের মধ্যে আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রের কোনো স্নাতক স্কুলে এক শিক্ষাবর্ষ বা তার বেশি সময়ের জন্য লেখাপড়ায় অংশ নিয়ে থাকলে তিনি এ ফেলোশিপের জন্য অযোগ্য হবেন।
*২০২২ সালের আগস্টের পূর্ববর্তী পাঁচ বছরের মধ্যে ছয় মাসের বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করার অভিজ্ঞতা থাকলে তিনি এই ফেলোশিপের জন্য যোগ্য হবেন না।
*ইংরেজি লেখা ও কথা বলা উভয় ক্ষেত্রে দক্ষ হতে হবে এবং টোফেল স্কোর কমপক্ষে ৫২৫ (পেপারভিত্তিক) কিংবা ৭১ (ইন্টারনেটভিত্তিক) হতে হবে। প্রার্থীদের যাঁদের টোফেল স্কোরের বৈধ মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, তাঁদের নির্বাচনপ্রক্রিয়া শেষে টোফেল পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। (আমেরিকান সেন্টার কেবল নির্বাচিত প্রার্থীদের জন্য টোফেল পরীক্ষার ব্যবস্থা করবে। অত্যন্ত প্রতিশ্রুতিশীল প্রার্থীরা যদি টোফেলে কম স্কোর পান, তাহলে তাঁদের দীর্ঘমেয়াদি ইংরেজি প্রশিক্ষণের (এলটিই) জন্য মনোনীত করা হতে পারে।)
*আবেদনকারীকে অবশ্যই ফেলোশিপের জন্য নির্ধারিত প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও প্রতিশ্রুতি দেখানোর পাশাপাশি এ কথাও জানাতে হবে যে তিনি কীভাবে এই ফেলোশিপ থেকে উপকৃত হবেন, যা তিনি আগে কখনো হননি এবং হামফ্রে কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ছাড়া এমন অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তাঁর নেই।

*ফেলোশিপ শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশে ফিরে আসতে হবে।
ফেলোশিপ কর্মসূচির জন্য অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। আবেদনের জন্য আবেদনকারীকে https://apply.iie.org/huberthhumphrey. ওয়েবসাইট ভিজিট করতে হবে। এই কর্মসূচি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে https://www.humphreyfellowship.org/. তে ঢুঁ মারতে পারেন আগ্রহীরা।

আবেদনকারীকে যা করতে হবে
হিউবা‍র্ট এইচ হামফ্রে ফেলোশিপ প্রোগ্রামের আবেদনপত্র ব্যবহারের অনুমতি পেতে (অ্যাকসেস পেতে) আবেদনকারীকে অবশ্যই প্রথমে একটি আইআইই (IIE) অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। একজন আবেদনকারী একবার অ্যাকাউন্ট তৈরি করার পর হামফ্রে ফেলোশিপের আবেদন প্রক্রিয়ায় যতেবার দরকার হবে, এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে লগইন করতে পারবেন। তিনি আবেদনপত্রের যতটুকু পূরণ করবেন, সেটা সেভ করে লগ আউট করতে পারবেন। আবার লগইন করে বাকি আবেদনপত্র পূরণ করতে পারবেন। আবেদনকারীকে আবেদনপত্র পূরণের সব নির্দেশনা মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে। রচনামূলক প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় মোট শব্দসীমার দিকে খেয়াল রেখে যতটা সম্ভব পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।

*ফেলোশিপ শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশে ফিরে আসতে হবে।
ফেলোশিপ কর্মসূচির জন্য অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। আবেদনের জন্য আবেদনকারীকে https://apply.iie.org/huberthhumphrey. ওয়েবসাইট ভিজিট করতে হবে। এই কর্মসূচি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে https://www.humphreyfellowship.org/. তে ঢুঁ মারতে পারেন আগ্রহীরা।

আবেদনকারীকে যা করতে হবে
হিউবা‍র্ট এইচ হামফ্রে ফেলোশিপ প্রোগ্রামের আবেদনপত্র ব্যবহারের অনুমতি পেতে (অ্যাকসেস পেতে) আবেদনকারীকে অবশ্যই প্রথমে একটি আইআইই (IIE) অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। একজন আবেদনকারী একবার অ্যাকাউন্ট তৈরি করার পর হামফ্রে ফেলোশিপের আবেদন প্রক্রিয়ায় যতেবার দরকার হবে, এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে লগইন করতে পারবেন। তিনি আবেদনপত্রের যতটুকু পূরণ করবেন, সেটা সেভ করে লগ আউট করতে পারবেন। আবার লগইন করে বাকি আবেদনপত্র পূরণ করতে পারবেন। আবেদনকারীকে আবেদনপত্র পূরণের সব নির্দেশনা মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে। রচনামূলক প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় মোট শব্দসীমার দিকে খেয়াল রেখে যতটা সম্ভব পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।