ভারত-চীন উত্তেজনা নিরসনে চতুর্থ দফায় বৈঠকে দুদেশের সেনারা

ভারত-চীন উত্তেজনা নিরসনে চতুর্থ দফায় বৈঠক করেছেন দুই দেশের শীর্ষ সেনা কর্মকর্তারা। মঙ্গলবার লাদাখের লেহ জেলায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। নয়াদিল্লির দাবি, এখনও লাদাখের কয়েকটি প্রান্ত থেকে সেনা প্রত্যাহার করেনি বেইজিং।

আলোচনা হয়েছে এ বিষয়টি নিয়ে। এছাড়া ওই এলাকার প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার মানচিত্র নিয়েও কথা হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এদিকে পাকিস্তান নয়, চীন, ভারতের প্রধান প্রতিপক্ষ বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের সাবেক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শরদ পওয়ার।

চীনের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই নেপালের সঙ্গেও ভারতের সীমান্তে বিরোধ চরমে পৌঁছেছে। এই বিরোধ নিরসনে নয়াদিল্লিতে নিজ দেশের দূতাবাসের বাইরে জড়ো হন দেশটিতে বসবাসরত শত শত নেপালি।

তারা জানান, আমরা চাই ভারত-নেপালের সমস্যাগুলো মিটে যাক। লড়াই-ঝগড়া করে কোনো পক্ষেরই লাভ হবে না। আমরা কেউ-ই সংঘাত চাই না তাই এখানে জড়ো হয়েছি।

এদিকে চীনের সঙ্গে সংঘাত মেটাতে এখনও প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ভারত। দুই দেশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে চতুর্থ বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনা হয়। ভারতে ৫৯টি চীনা অ্যাপস নিষিদ্ধ করা নিয়েও কথা ওঠে বলে জানা গেছে।

এর আগে স্যাটেলাইট চিত্রে স্পষ্ট হয় যে, প্যাংগংসহ লাদাখের কয়েকটি অঞ্চল থেকে চীনা সেনারা এখনও সরেনি। আর ভারতও ৭২ হাজার আমেরিকান অ্যাসল্ট রাইফেল কেনার প্রস্তুতি নিয়েছে। এর আগে তারা আরও ৭২ হাজার রাইফেল কেনে। এছাড়া রাশিয়া থেকে আনা হচ্ছে ১২টি সুখোই-৩০ ও ২১টি মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান।

আলোচনা চলিয়ে গেলেও, চীনের বিকল্প বাজার খুঁজতে মরিয়া ভারত। নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের জন্য দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও তাইওয়ানকে বিবেচনা করছে নরেন্দ্র মোদী প্রশাসন।

এদিকে, পাকিস্তান নয়, ভারতের প্রধান প্রতিপক্ষ চীন বলে জানিয়েছেন, ভারতের ন্যাশনাল কংগ্রেস পার্টির প্রধান ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী শরদ পওয়ার। কিন্তু চীনের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধ করা ভারতের উচিৎ হবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি।

এরই মধ্যে মার্কিন গোয়েন্দারা দাবি করেছেন, গেলো ১৫ জুন, ভারত-চীন গোলাগুলির মধ্যে নিহত চীনা সেনাদের মরদেহ পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।

আরো পড়ুন:
উত্তেজনার মধ্যেই ৭২ হাজার অত্যাধুনিক অস্ত্র কিনছে ভারত

চরম হুঁশিয়ারি, ‘চীনের কাছে ভারতীয় সেনাবাহিনী কিছুই না’

সেনা সরাতে এক চুলও রাজি নয় চীন!