বিশ্বে করোনা রোগী ১৬ কোটি ছুঁই ছুঁই

মহামারি করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে কাবু বিশ্ববাসী। দিন দিন আরও ভয়ংকর হয়ে উঠছে এ ভাইরাস। প্রতিদিনই দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর সারি, আক্রান্তও হচ্ছে লাখে লাখে। মহামারি এ ভাইরাসের নতুন নতুন ধরন মানুষের মনে আতঙ্ক বাড়িয়ে দিয়েছে। করোনার টিকা আবিষ্কার হলেও এখনো কাটেনি আতঙ্ক। এরই মধ্যে বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৩৩ লাখ ১৭ হাজার এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ কোটি ৯৫ লাখেরও বেশি মানুষ।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার (১১ মে) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে মারা গেছেন আরও ১০ হাজার ৫৮৬ মানুষ এবং নতুন করে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছেন প্রায় ৬ লাখ ১১ হাজার ৯৬ জন। এ নিয়ে বিশ্বে মোট করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩৩ লাখ ১৭ হাজার ৪৯২ জনের এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ কোটি ৯৫ লাখ ৯৬ হাজার ৬০৬ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৩ কোটি ৭২ লাখ ৫৯ হাজার ৮৬৪ জন।

করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ৩৫ লাখ ১৫ হাজার ৩০৮ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৯৬ হাজার ১৭৯ জনের।

আক্রান্তে দ্বিতীয় ও মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত মোট সংক্রমিত হয়েছেন ২ কোটি ২৯ লাখ ৯১ হাজার ৯২৭ জন এবং এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার ২৫ জনের।

আক্রান্তে তৃতীয় এবং মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ব্রাজিল এখন পর্যন্ত করোনায় এক কোটি ৫২ লাখ ১৪ হাজার ৩০ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ২৩ হাজার ৪৩৬ জনের।

আক্রান্তের দিক থেকে চতুর্থ স্থানে রয়েছে ফ্রান্স। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫৭ লাখ ৮০ হাজার ৩৭৯ জন। ভাইরাসটিতে মারা গেছেন এক লাখ ৬ হাজার ৬৮৪ জন।

এই তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে তুরস্ক। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৫০ লাখ ৪৪ হাজার ৯৩৬ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৪৩ হাজার ৩১১ জন।

এদিকে আক্রান্তের তালিকায় রাশিয়া ষষ্ঠ, যুক্তরাজ্য সপ্তম, ইতালি অষ্টম, স্পেন নবম এবং জার্মানি দশম স্থানে রয়েছে। এই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৩৩তম।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯।