বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্বৃত্ত টাকায় শিক্ষার্থীদের সহায়তা চান নোবিপ্রবি শিক্ষক

বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় বিভিন্ন খাতের নিয়মিত ব্যয়ও বন্ধ রয়েছে দীর্ঘদিন। সেই খাত সমূহের উদ্বৃত্ত টাকা দিয়ে শিক্ষার্থীদের বাড়ি ভাড়া সংকট নিরসনের অনুরোধ জানিয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) সহকারী অধ্যাপক ও স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান।

আজ শুক্রবার নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি। সংকটে শিক্ষার্থীরাঃ প্রাসঙ্গিক ভাবন শিরোনামে ওই স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, ‘ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় প্রশাসনিক যেসব পদে শিক্ষকদের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে না, সেসব পদের সম্মানি ভাতাসহ যোগ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের এই সংকটে পাশে দাঁড়াতে পারে’।

অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমানের স্ট্যাটাসে লিখেছেন, কিছুদিন যাবৎ নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের ফেসবুক স্ট্যাটাসগুলো এই করোনাকালীন সময়ে মেসভাড়া সংক্রান্ত বিষয়। এই বন্ধের সময় মেসের মালিকরা ফোন করে শিক্ষার্থীদের কাছে মেস ভাড়া চাচ্ছে। ফলে শিক্ষার্থীদের পড়তে হচ্ছে বিপাকে। শুনেছি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও নোয়াখালী স্থানীয় প্রশাসনও নাকি এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। কিন্তু এ পদক্ষেপ কতোটা কার্যকর করা হয়েছে সেটা বলতে পারছি না।

শিক্ষার্থীদের আর্থিক অবস্থা তুলে ধরে মোস্তাফিজুর রহমান লিখেছেন, আমরা জানি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের। আবার অনেকে আছে দিন এনে দিন খেয়ে ছেলে-মেয়েদের বিশ্ববিদ্যালয় পড়াচ্ছেন। এসব ফ্যামিলির ছেলে মেয়েরা নিজে টিউশনি করে নিজের খরচ তো চালাতো বটেই, এমনি পরিবারকে টাকা পাঠাতো।

তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের একমাত্র আয়ের উৎসটাও বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বিপাকে পড়ে গেছে এসব শিক্ষার্থীরা। ইতিমধ্যে নোবিপ্রবির অধিকাংশ শিক্ষক ব্যক্তিগতভাবে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী এসব অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে দাড়িয়েছে। আমি মনেকরি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত এসব শিক্ষার্থীদের পাশে দাড়ানো।