প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়া চালু করতে লিগ্যাল নোটিশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকদের শূন্যপদের বিপরীতে এক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে বদলির প্রক্রিয়া চালুর জন্য লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

লিগ্যাল নোটিশে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ (ডিজি) ৭৫ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।

বদলির দাবিতে এক শিক্ষকের পক্ষে সোমবার (২৮ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া এ নোটিশ পাঠিয়েছেন।

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ্ মিয়া বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকা বদলির জন্য ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি নির্দেশিকা (সংশোধিত)-২০১৯’ প্রণয়ন করে। ওই নির্দেশিকার ধারা ১.১ এ সাধারণভাবে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের প্রতি শিক্ষা বছরের জানুয়ারি-মার্চ মাসে মধ্যে একই উপজেলা/থানা, আন্তঃউপজেলা/থানা, আন্তঃজেলা, আন্তঃবিভাগ ও যেকোনো উপজেলা/জেলা থেকে সিটি করপোরেশনে বদলি করার কথা উল্লেখ থাকলেও ২০১৯ সালের পর সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বদলি কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সরাদেশের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। বিশেষ করে নারী শিক্ষিকারা দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। যদিও সরকারি অন্যান্য দপ্তরে যথারীতি বদলি কার্যক্রম চালু রয়েছে।

লিগ্যাল নোটিশ হাতে পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হবে বলেও জানান আইনজীবী।

এদিকে রমজান মাসের ছুটি পুর্নবহাল রাখার দাবি জানিয়েছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। প্রাথমিকের শিক্ষকদের সংগঠন বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতি থেকে এ দাবি জানানো হয়। গতকাল সংগঠনটির একটি ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিলো। সেখানে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, শীঘ্রই ছুটির বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর তারা আবেদন করা হবে।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রত্যেক জেলা কমিটি নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও প্রত্যেক উপজেলা কমিটি নিজ নিজ উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে আবেদন জমা দেবেন।