প্রথম মুসলিম রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দিল ইসরাইল

মুসলিমের ভূমি দখল করে যে রাষ্ট্রের জন্ম তার নাম ইসরাইল। যাদের হাত প্রতিদিন ফিলিস্তিনের নাগরিকদের রক্তে রঞ্জিত হচ্ছে। আর তারা দখল করছে ফিলিস্তিন ভূমি। মুসলিম বিদ্বেশী এই রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এবার একজন মুসলিমকে সে দেশের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করা হলে আফ্রিকার একটি দেশে। সে নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে আলোচনা।

এই প্রথম মুসলিম রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করল ইসরাইল। ক’দিন আগে ৩ মহিলা সহ একডজন রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করে দেশটি। তালিকায় একজন মুসলিম রয়েছেন। তার নাম ইসমাইল খালদি। বিশ্বের সবথেকে বেশি মুসলিম বিদ্বেষী দেশটি তাদের নিজেদের সব রেকর্ড ভেঙে কেন হঠাৎ এক বেদুইন মুসলিমকে রাষ্ট্রদূতের আসনে বসাল, তা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে।

কেউ বলছেন, মুসলিম ও ইসলাম বিদ্বেষী অপবাদ ঘোচাতে, কেউ বা বলছেন হিজবুল্লাহ, হামাস, ইরানের মতো ঘোর শত্রু পক্ষকে নরম বার্তা দিতেই ইসরাইল এই ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ করল। আফ্রিকার দেশ ইরিথ্রিয়ায় খালদিকে নিয়োগ করা হয়েছে। মেষপালক বেদুইন পরিবারের সন্তান খালদি পড়াশুনায় ভীষণ মেধাবি। ২০০৪ থেকে তিনি ইসরাইলের বিদেশমন্ত্রকের উচ্চপদে ছিলেন। আমেরিকা এবং ব্রিটেনে ইসরাইলি কনসুলেটেও আধিকারিক হিসেবে কাজ করেছেন। যদিও বছর তিনেক আগে বেদুইনদের ওপর ইসরাইল সরকারের জুলুমের প্রতিবাদ জানিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতে যাবার হুমকি দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছিলেন খালদি।

তারপরেও তার সততা, দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতাকে বিবেচনা করে বরখাস্ত করেননি নেতানিয়াহু। ইসরাইলের হাইফা ইউনিভার্সিটি থেকে বিজ্ঞানে মাস্টার্স করেন এবং ফার্স্টক্লাস ফার্স্ট হন। গত সপ্তাহে তার আত্মজীবনীও প্রকাশ হয়েছে। তাতেও ইসরাইলের মুসলিম বিদ্বেষ এবং বর্ণবিদ্বেষ নিয়ে কলম ধরেছেন ৪৯ বছর বয়সি খালদি। পুবের কলম