পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম মন্ত্রণালয়ে যাবে ১৫দিন পর

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩৮ হাজার শিক্ষক নিয়োগের পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে আরও অন্তত ১৪ থেকে ১৫ দিন সময় লাগবে। এই মুহূর্তে শিক্ষকদের ফরম জেলা ভিত্তিক আলাদা করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর ভি রোল ফরমগুলো মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।

এনটিআরসিএ সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য শিক্ষকদের পাঠানো পাঁচকপি ফরম তালিকা অনুযায়ী সাজানো হচ্ছে। ফরমের এক কপি নিজেদের কাছে রেখে বাকি ৪ কপি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। সেভাবেই ফরমগুলো আলাদা করা হচ্ছে। এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ভি রোল ফরমের তিনকপি পাঠানো হবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে।

সূত্র আরও জানায়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভি রোল ফরম পাওয়ার পর সেগুলো ভেরিফিকেশনের জন্য জেলা পুলিশের কাছে পাঠাবে। এরপর জেলা পুলিশ ফরম অনুযায়ী শিক্ষকদের তথ্য যাচাই শুরু করবে। এই প্রক্রিয়া শেষ করে ফরমগুলো সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে। এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সেগুলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ফেরত পাঠাবে। এরপর শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশপত্র দেবে এনটিআরসিএ।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মো. এনামুল কাদের খান বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বলেন, প্রার্থীদের পুলিশ ভেরিফিকেশনের ফরম পাঠানোর সময় গতকাল শেষ হয়েছে। আমরা এখন ফরমগুলো জেলা অনুযায়ী সাজাচ্ছি। এই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর ফরমগুলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

কবে নাগাদ ভেরিফিকেশনের ফরম পাঠানো হতে পারে— এমন প্রশ্নের জবাবে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান আরও বলেন, এটি একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ। ৩৮ হাজার শিক্ষকের পাঁচকপি করে ফরম গোছানো, সেগুলো সিরিয়াল অনুযায়ী সাজাতে কিছুটা সময় লাগবে। আশা করছি চলতি মাসের শেষ দিকে অথবা আগামী মাসের শুরুতে ভেরিফিকেশনের ফরমগুলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে পারবো।

তথ্যমতে, গত ২৫ আগস্ট এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ভি রোল ফরম আপলোড করা হয়। এক নির্দেশনায় শিক্ষকদের এই ফরম যথাযথভাবে পূরণ করে ডাকযোগে এনটিআরসিএতে পাঠাতে বলা হয়।

প্রসঙ্গত, গত ১৫ জুলাই সারাদেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগে গণবিজ্ঞপ্তির ফল প্রকাশ করে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ। ৫১ হাজার শিক্ষক নিয়োগের কথা থাকলেও ৮ হাজার ৪৪৮টি পদে কোনো আবেদন না পাওয়ায় এবং ৬ হাজার ৭৭৭টি মহিলা কোটা পদে মহিলা প্রার্থী না থাকায় মোট ১৫ হাজার ৩২৫টি পদে ফল দেয়নি এনটিআরসিএ।