পাঁচ নায়িকার ঈদের স্মৃতি

ঈদ মানেই আনন্দ। এই করোনাকালে যতটা সম্ভব স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ উদযাপন করছেন সবাই। এই তালিকায় শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও রয়েছেন। এদের অনেকেই হয়তো এবার গ্রামের বাড়ি যাননি। করোনার কারণে রাজধানীতেই ঘরবন্দি থেকে ঈদ উদযাপন করছেন। কোরবানি নিয়ে তারকাদের অনেক মজার স্মৃতি রয়েছে। ঈদ এলেই সেসব স্মৃতি মনের মধ্যে উঁকি দেয়। মনে পড়ে যায় অতীতের কত কথা।

‘চাঁদনী’খ্যাত নাঈম-শাবনাজ জুটি এক সময় ঢালিউডে আলোচিত ছিল। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে ঈদ মানেই ছিল এই জুটির ছবি। সেসব দিনের কথা স্মরণ করে শাবনাজ বলেন, ‘নতুন ছবি নিয়ে ঈদের আগে আমরা এক্সাইটেড থাকতাম। পোস্টার কেমন হয়েছে? ব্যানারে ছবিগুলো কেমন এসেছে? প্রচণ্ড কৌতূহল হতো এসব নিয়ে। আমরা ঈদের আগের দিন হলে হলে গিয়ে সেগুলো দেখতাম। লেট নাইটে আমি, নাঈম, সাদেক বাচ্চু, পরিচালক সবাই একসঙ্গে গাড়ি নিয়ে হলের সামনে চলে যেতাম। পরদিন সকালে অন্য রকম টেনশন শুরু হতো। কারণ প্রথম শো শুরু হবে, দর্শক কীভাবে নেবে- এসব ভেবে রাতে ঘুম হতো না।’

বিয়ের পর প্রথম ঈদ শ্বশুরবাড়ি টাঙ্গাইলে করেছেন শাবনাজ। সেদিনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘গ্রামের সবাই আমাকে দেখতে এসেছিল। সকালবেলা রান্না করেছিলাম। যদিও রান্নার অভিজ্ঞতা আমার ছিল না।’ শাবনাজ মূলত রান্না শিখেছেন নাঈমের কাছ থেকে। নাঈমের গরুর পায়া রান্না তার ফেবারিট বলে জানান এই নায়িকা।

এদিকে জয়া আহসান বলেন, ‘রোজার ঈদের পর শুরু হতো কোরবানি ঈদের জন্য অপেক্ষা। মনে হতো প্রতি মাসেই কেন ঈদ হয় না!’ কোরবানি ঈদে দলবেঁধে বিভিন্ন বাড়িতে গরু দেখতে যাওয়া এখনও মিস করেন তিনি। এখনকার ঈদ যান্ত্রিক। ঈদের আনন্দ আসলে ছোটবেলাতেই- বলেন জয়া।

পরীমনি প্রতিবার ঈদে এফডিসিতে গরু কোরবানি দেন। তিনি বলেন, ‘আমার ঈদের গরু হতে হবে সেরা গরু। তাই সেরা গরু কেনার চেষ্টা করি এবং একদিনেই গরুটার প্রেমে পরে যাই।’ গরুকে গোসল করিয়ে সাজিয়ে রাখতে ভালো লাগে বলে জানান হার্টথ্রব এই নায়িকা।

জয়ার মতো মাহি মনে করেন ঈদ আসলে ছেলেবেলাতেই অনেক আনন্দের। ‘এখন তো আর সাধারণ মানুষের মতো ঘুরতে পারি না। তাই খারাপ লাগে। লুকিয়ে ঘুরতে হয়। আমার কাছে শৈশবের ঈদই আসল ঈদ।’ উল্লেখ করে মাহি বলেন, ‘আগে শপিংয়ের জন্য অপেক্ষা করতাম- কখন বাবা জামা কিনে দেবে। এখন আমি কিনে দেব বলে অনেকেই অপেক্ষায় থাকে। এটিও এক ধরনের আনন্দ।’