নতুন নীতিতে সম্মতি না দিলে হোয়াটসঅ্যাপে সীমিত সুবিধা

চলতি মাসের ১৫ তারিখে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন গোপনতা নীতি কার্যকর হবে। ফেসবুক মালিকানাধীন মেসেজিং অ্যাপটি ব্যবহারকারীকে আরও সময় দিচ্ছে পর্যালোচনার জন্য এবং আপডেটে সম্মতি দেওয়ার জন্য। তবে, এ মেয়াদও শেষ হবে।

অ্যাপটির এক ব্লগপোস্টে বলছে, আরও কয়েক সপ্তাহ সময় পার হওয়ার পর নতুন নীতি ব্যাপারে ব্যবহারকারীদের “ক্রমাগত” মনে করিয়ে দেওয়া হবে। আপডেটে সম্মতি জানানোর আগ পর্যন্ত “সীমিত কার্যক্রম” করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।

শুরুতে যারা হোয়াটসঅ্যাপের নতুন নীতিতে সম্মতি দেবেন না, তারা চ্যাট তালিকায় প্রবেশাধিকার হারাবেন, কিন্তু অ্যাকাউন্টে আসা ফোন ও ভিডিও কলের উত্তর দিতে পারবেন, নোটিফিকেশন দেখতে পাবেন, মেসেজের উত্তর দিতে পারবেন বা মিসড কল দেখে কল করতে পারবেন। যদি আরও কয়েক সপ্তাহ এভাবে চলে তাহলে ফোনে কল ও মেসেজ পাঠানো বন্ধ করে দেবে হোয়াটসঅ্যাপ।

নিষ্ক্রিয় ব্যবহারকারীদের উপরও তাদের বিদ্যমান নীতি বর্তাবে। এর অর্থ দাঁড়ায়, ১২০ দিন নিষ্ক্রিয় থাকলে অ্যাকাউন্ট মুছে দেওয়া হতে পারে।

শুক্রবার (৭ মে) এক হোয়াটসঅ্যাপ ‍মুখপাত্র ই-মেইলে লিখেছেন, যারা এখনও সম্মতি দেননি, মে ১৫-তেই তাদের অ্যাকাউন্ট মুছে দেওয়া হবে না বা সেগুলো ফাংশনালিটি হারাবে না। আমরা আসন্ন সপ্তাহগুলোতে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তাদের মনে করিয়ে দিতে থাকব।

মুখপাত্র আরও জানিয়েছেন, নোটিফিকেশন পাওয়া অধিকাংশ ব্যবহারকারীই এরই মধ্যে নতুন সেবা শর্তে সম্মতি দিয়েছেন।

জানুয়ারিতে প্রথম নতুন আপডেটটির ব্যাপারে জানায় হোয়াটসঅ্যাপ। পরে তোপের মুখে এটি পিছিয়ে দেওয়া হয়। নতুন আপডেটের অধীনে মালিক প্রতিষ্ঠান ফেসবুকের সঙ্গে ব্যবহারকারীর ডেটা শেয়ার করবে সেবাটি।

হোয়াটসঅ্যাপের এ আচরণে সন্তুষ্ট হতে পারেননি গোটা বিশ্বের অসংখ্য ব্যবহারকারী। ক্ষোভে এবং গোপনতা শঙ্কায় হোয়াটসঅ্যাপ ছেড়েছেন অনেকেই, পাড়ি জমিয়েছেন প্রতিদ্বন্দ্বী মেসেজিং সেবা সিগনাল ও টেলিগ্রামে।