দেশে জ্বালানি ও বিদ্যুতের সাশ্রয় করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন করা হয়েছে।

দেশে জ্বালানি ও বিদ্যুতের সাশ্রয় করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন করা হয়েছে। এই অবস্থায় ক্লাসের সময় সমন্বয় করতে কেন্দ্রীয়ভাবে রুটিন তৈরির নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি ঠিক করতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সাথে বৈঠকে বসেছে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর।

জানা গেছে, সাপ্তাহিক ছুটি বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন করে কর্মঘণ্টা নির্ধারিত হতে যাচ্ছে। ক্লাসের সময় সমন্বয় করতে বৃহস্পতিবার আধাবেলা ক্লাস বন্ধে প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অধিক গুরত্বপূর্ণ বিষয়ে যেন শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি তৈরি না হয় সেজন্য ক্লাসের সময় সমন্বয় করে নতুন রুটিন তৈরি করা হবে।

এনসিটিবি এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) এনসিটিবির চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাউশি, কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে এনসিটিবি কার্যালয়ে সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় নতুন করে একটি রুটিন তৈরি করা হবে। এই রুটিন অনুযায়ী স্কুল-কলেজে ক্লাস হবে।

ওই সূত্র আরও জানায়, বৃহস্পতিবারের সভা শেষে একটি খসড়া রুটিন তৈরি করা হবে। সেই রুটিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন হয়ে আসলে আগামী রবিবার (২৮ আগস্ট) সেটি দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো হবে। পরবর্তীতে সেই রুটিন অনুযায়ী ক্লাস হবে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এনসিটিবি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. ফরহাদুল ইসলাম বলেন, সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানোয় ক্লাস নিয়ে যেন বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয় সেজন্য কেন্দ্রীয়ভাবে একটি রুটিন তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমরা চেষ্টা করবো আজকের মধ্যে রুটিন তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে বৃহস্পতিবার আধাবেলা স্কুল থাকছে না। এছাড়া অধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে যেন পর্যাপ্ত ক্লাস করানো যায় সেভাবেই রুটিন তৈরি করা হচ্ছে। আগামী রোববারের মধ্যে ক্লাস রুটিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।