তালেবান ও যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিল কি আইএস?

কাবুল বিমানবন্দরে হামলার ঘটনা যত মর্মবিদারক ও ভয়াবহ হোক না কেন, এই হামলা একবারে অভাবনীয় ছিল না। কয়েক দিন ধরেই মার্কিন কর্তৃপক্ষ এ ধরনের হামলার বিষয়ে সতর্কবাণী দিচ্ছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে তা সত্যে পরিণত হয়েছে।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবারের এই হামলায় ইতিমধ্যে কমপক্ষে ১৩ জন মার্কিন সৈন্য এবং ৯০ জন আফগান নাগরিকের মৃত্যুর কথা জানা গেছে, এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই ধারণা করা যায়। আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্র এবং বেশ কিছু দেশ তাদের নাগরিকদের এবং যেসব আফগান তাদের সঙ্গে দুই দশক ধরে কাজ করেছে, তাদের সরিয়ে আনছে। বিমানবন্দরে হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত হয়েছে দেশত্যাগের জন্য। সেখানে গোড়াতে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটলেও গত কয়েক দিনে অবস্থার সামান্য উন্নতি হয়েছে। কিন্তু হামলার সময় সেখানে উপস্থিত ছিল হাজার হাজার মানুষ।

৩১ আগস্টের মধ্যে সবাইকে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র প্রধান উইলিয়াম বার্নস গত সপ্তাহে আফগানিস্তান সফর করেন এবং তালেবানের শীর্ষ নেতা আবদুল গনি বারাদারের সঙ্গে বৈঠক করেন। যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাহারের সময়সীমা বাড়াতে তালেবানের প্রতি অনুরোধ করেছিল, তালেবান তাতে রাজি হয়নি। ফলে বিমানবন্দরে উপস্থিতির সংখ্যা ছিল বড় আকারের। সিআইএ–প্রধানের সফর থেকে এটা জানা যায় যে কাবুলে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পর তালেবানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যোগাযোগ হয়েছে; এই ধারণাও তৈরি হয়েছিল যে মার্কিনদের জন্য আফগান নিরাপত্তা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক নয়। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে দোহায় যুক্তরাষ্ট্র-তালেবান চুক্তিতে তালেবান মার্কিন সৈন্যদের ওপরে হামলা না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এরপরে মার্কিনদের ওপরে হামলা হয়নি। ফলে ২০ মাসের বেশি সময় পরে মার্কিন সৈন্যদের ওপর হামলা হলো। আর সেই হামলা হলো এমন সময়ে, যখন যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান থেকে সরে যাচ্ছে।

আফগানিস্তান পরিস্থিতি যে কতটা অস্থিতিশীল এবং ভবিষ্যতে তা যে আরও বেশি অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে, বিমানবন্দরে এই হামলা তার ইঙ্গিত মাত্র। আফগানিস্তানে সক্রিয় সহিংস গোষ্ঠীগুলোর সংঘাত যে আর বেশি রক্তাক্ত হয়ে উঠতে পারে এবং তা যে অতীতের চেয়ে ভিন্ন কিছু হবে না, এমন আশঙ্কা এখন আরও জোরদার হলো।

হামলাকারী কারা?
এই হামলার দায় স্বীকার করেছে আইসিসের স্থানীয় শাখা আইসিস-কে বা আইসিস খোরাসান। সংগঠনের পুরো নাম হচ্ছে ইসলামিক স্টেট খোরাসান প্রভিন্স বা ভিলায়েত খোরাসান। এই প্রদেশের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল ২০১৫ সালের ২৬ জানুয়ারি। আইএসের তৎকালীন প্রধান মুখপাত্র আবু মুহাম্মদ আল-আদনানি একটি অডিও বিবৃতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ভিলায়েত খোরাসান প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। আইসিসের বর্ণিত খোরাসান প্রদেশে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে আফগানিস্তান, ইরান, পাকিস্তান এবং মধ্য এশিয়া। প্রতিষ্ঠার পরে কয়েক বছরে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া, পূর্ব আফগান প্রদেশ কুনার এবং নাঙ্গারহারে তাদের সাংগঠনিক শক্তি সঞ্চয় করেছে। তবে এর আঞ্চলিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা মধ্য এশীয় প্রজাতন্ত্র এবং আফগানিস্তান থেকে পাকিস্তান পর্যন্ত বিস্তৃত; এমনকি কাশ্মীর ও জিনজিয়াংকে যুক্ত করে একটি বিশাল আঞ্চলিক কাঠামো গঠন তাদের লক্ষ্য।

আফগানিস্তানে আইসিসের উপস্থিতির সূচনা হয়েছিল ২০১৪ সালের ইসলামিক স্টেট ঘোষণার সময়েই। কিছু ছোট ছোট গোষ্ঠী আইসিসের পতাকাতলে সমবেত হয়। এর মধ্যে প্রথম আইসিস স্বীকৃত গোষ্ঠী ছিল তেহরিক-ই খিলাফত খোরাসান (টিকেকে)। এ ছাড়া আবদুল কাধিম রউফ প্রতিষ্ঠিত খিলাফত আফগান। কাধিম একজন সাবেক তালেবান এবং একসময় কোয়েটা শুরার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সাবেক হাক্কানি জঙ্গিদের নিয়ে গঠিত আজিজুল্লাহ হাক্কানির দল। তা ছাড়া ছিল তেহরিক-ই খিলাফত পাকিস্তান (টিকেপি)।

২০১৯ সালের দিকে দেখা গেছে যে ইরানে অত্যন্ত দুর্বলভাবে আইসিস খোরাসানসংশ্লিষ্ট কয়েকটি গোষ্ঠী কাজ করছে। এদের মধ্যে ছিল হারাকাত খিলাফত বালুচি, ইরানের খোরাসান শাখা এবং পশ্চিম আজারবাইজান ইসলামিক মুভমেন্ট। মধ্য এশিয়ায় কয়েকটি গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগের কথা জানা যায়। এগুলো ইসলামিক মুভমেন্ট অব উজবেকিস্তান (আইএমইউ); তাজিকিস্তানে জামাত আনসারুল্লাহ এবং ইসলামিক মুভমেন্ট অব তুর্কমেনিস্তান (আইএমটি)। উইঘুর মুসলিমদের মধ্যে পূর্ব তুর্কিস্তান ইসলামি আন্দোলনের (ইটিআইএম/ইটিআইপি) উপস্থিতির কথা চীন বরাবর বলে এসেছে।

আফগানিস্তানের বাইরে এসব গোষ্ঠীর সঙ্গে আইসিস খোরাসানের যোগাযোগ থাকলেও সংগঠনের প্রধান ভিত্তি হচ্ছে আফগানিস্তান। লক্ষণীয় যে গত কয়েক বছরে এই সংগঠনের শক্তি ধীরগতিতে হলেও বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রথম হামলা নয়
কাবুল বিমানবন্দরে হামলার কারণে এখন সারা পৃথিবীর মানুষ আইসিস খোরাসানের বিষয়ে জানতে পারবে। অনেকের মনে হতে পারে যে এটাই হচ্ছে এই গোষ্ঠীর প্রথম হামলা। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আইসিস খোরাসানের এটি প্রথম হামলা নয়। গত এক বছরেই অন্ততপক্ষে সাতটি বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে এই গোষ্ঠী। গত বছর আগস্ট মাসে আইসিস খোরাসানের যোদ্ধারা জালালাবাদের একটি কারাগারে হামলা চালিয়ে তাদের ৩০০ জন সদস্যকে মুক্ত করে নিয়ে যায়, সেই সময় ২৯ জন মারা গিয়েছিল। গত অক্টোবরে কাবুলে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ২৪ জনকে হত্যা করে। নভেম্বরে কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা চালিয়ে হত্যা করে ৩৫ জনকে, যার অধিকাংশ ছিল শিক্ষার্থী। এই বছরের মে মাসে কাবুলের বাইরে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আত্মঘাতী হামলা চালায়, এতে কমপক্ষে ৮০ জন নারী শিক্ষার্থী মারা যায়।

এই গোষ্ঠী এই ধরনের হামলা দীর্ঘদিন ধরেই চালিয়ে আসছে। লক্ষণীয় হচ্ছে যে গত কয়েক মাসে তালেবান যতই কাবুলের দিকে অগ্রসর হয়েছে, আইসিস ততই তাদের হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। তালেবানের জন্য প্রধান বিষয় হয়ে উঠেছে তৎকালীন সরকারি বাহিনীকে পরাজিত করা, ফলে বিভিন্ন এলাকায় আগে আইসিসের সদস্যরা সরকারি বাহিনীর হাতে আটক বা পর্যুদস্ত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে এবং তাদের শক্তি সঞ্চয়ের সুযোগ লাভ করেছে।

তালেবানের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন?
তালেবান প্রায় দুই দশক ধরে অব্যাহতভাবে সহিংস উগ্রপন্থা অনুসরণ এবং যুদ্ধ করলেও তাদের লক্ষ্য সীমিত থেকেছে আফগানিস্তানের ভেতরেই। মার্কিন সৈন্যদের ওপরে হামলা পরিচালনা করেছে, কিন্তু আফগানিস্তানের বাইরে মার্কিন স্বার্থের ওপরে হামলা করেনি। যে কারণে তালেবানকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন বলে চিহ্নিত করেনি। তারা পাকিস্তানের তালেবান সমর্থকদের সাহায্য নিয়েছে এবং সহায়তা করেছে—এর বাইরে তাদের কোনো আন্তর্জাতিক উপস্থিতি থাকেনি। অন্যদিকে আইসিস খোরাসান রাজনৈতিক সীমানাকে অস্বীকার করে এবং কয়েকটি দেশে তাদের উপস্থিতি বজায় রেখেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্বকে তাদের প্রধান শত্রু এবং আক্রমণের লক্ষ্যবস্ত বলে বিবেচনা করে। কৌশলগত এই পার্থক্য এবং আফগানিস্তান নিজের দখলে রাখার উদ্দেশ্যেই তালেবান আইসিসের বিরোধিতা করে থাকে। তদুপরি আইসিস তালেবানকে ধর্মত্যাগী বলেই বর্ণনা করে।

তালেবানের সঙ্গে আইসিসের বিরোধপূর্ণ সম্পর্কের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তালেবানের চুক্তিকে প্রবলভাবে সমালোচনা করেছে এবং একে তালেবানের জিহাদের পথ ত্যাগ বলেছে। তালেবান কাবুল দখলের পর সারা পৃথিবীর বিভিন্ন উগ্রবাদী সংগঠনের পক্ষ থেকে উল্লাস প্রকাশ করা হলেও আইএসের পক্ষ থেকে বরং উল্টোটাই দেখা গেছে। সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপের সূত্রে জানা যাচ্ছে যে কাবুল পতনের পরে আইসিসের একটি মন্তব্য প্রতিবেদনে তালেবানের বিরুদ্ধে জেহাদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ করা হয়েছে।

তালেবানের জন্য চ্যালেঞ্জ কী
কাবুলের হামলার পর তালেবানের পক্ষ থেকে এই হামলার নিন্দা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, বিদেশি সৈন্যের উপস্থিতি এই হামলার কারণ। কিন্তু এই নিন্দা যে পশ্চিমা বিশ্ব এমনকি ইরান বা চীনকেও আশ্বস্ত করবে না, সেটা বোধগম্য। তালেবান শুরুতে তাদের কমপক্ষে ২৮ জন মারা গেছে বলে দাবি করলেও পরে জানিয়েছে কেউ মারা যায়নি। যদিও গত বছর থেকে তালেবান বলে আসছে যে তারা আফগানিস্তানে কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে জায়গা দেবে না, আইসিসের এই হামলা থেকে এটা স্পষ্ট যে এটা তাদের পক্ষে নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এই ধরনের গোষ্ঠীকে মোকাবিলায় তালেবানের সক্ষমতা নেই। ভবিষ্যতে সেটা গড়ে উঠবে, এমন নয়।

আক্রমণের লক্ষ্যবস্ত যেহেতু মার্কিন সৈন্য, সেহেতু তাদের মোকাবিলা করতে মার্কিনরা আফগানিস্তানের ভেতরেই ব্যবস্থা নিতে আগ্রহী হবে। এটি কীভাবে মোকাবিলা করবে, সেটা হচ্ছে তালেবানের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। কোনো রকমের ব্যবস্থা না নিলে তাতে মনে হবে যে এর প্রতি তাদের সমর্থন আছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা করাও হবে অসম্ভব। ইরাকে ইসলামিক স্টেটের উত্থানের ইতিহাস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেবে যে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্য প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর ওই সব এলাকায়ই ইসলামিক স্টেট প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। গত কয়েক দশকে বিভিন্ন দেশে যেখানেই অশাসিত এলাকা বা আন-গভার্নড স্পেস থেকেছে, সেখানেই আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো জায়গা তৈরি করতে পেরেছে। ইসলামিক স্টেটকে মোকাবিলা এবং ধ্বংস করতে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ও সামরিক অভিযানের দরকার হয়েছে। আফগানিস্তানে সেই অবস্থার সূচনা হচ্ছে কি না, তা বলার সময় আসেনি, তবে সেই আশঙ্কাকে একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাবে না।

যুক্তরাষ্ট্র কী করতে পারে
কাবুলে হামলার পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন যে যারা এই হামলার জন্য দায়ী, তাদের খুঁজে বের করা হবে। বাইডেন বলেন, ‘যারা এই হামলা চালিয়েছে, একই সঙ্গে যারা আমেরিকার ক্ষতি করতে চায়, তারা এটা জেনে রাখুক যে আমরা ক্ষমা করব না। আমরা ভুলব না। আমরা তোমাদের ধরব। এই হামলার জন্য দায়ীদের মূল্য দিতে হবে।’ বলার অপেক্ষা রাখে না যে আফগানিস্তান থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তার সরকারের পদক্ষেপ ব্যাপকভাবে সমালোচনার মুখে পড়েছে। এখন এই হামলা বাইডেনের জন্য রাজনৈতিক বিপদের আশঙ্কা তৈরি করেছে। তার চেয়েও বড় প্রশ্ন হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র এখন কী ধরনের ব্যবস্থা নিতে পারে। চটজলদি যেকোনো ব্যবস্থা নিলে নাগরিক এবং অন্যদের সরিয়ে আনার কাজ ব্যাহত হবে। ইতিমধ্যে এই হামলার কারণে অনেকেই বিমানবন্দরে যেতে পারবেন না, আগ্রহী হবেন না। এ–ও আশঙ্কা করা হচ্ছে যে এই হামলার পরে লোকজন সরিয়ে আনার কাজ বন্ধ হয়ে যেতে পারে, যার অর্থ হচ্ছে অনেক মানুষকেই বিপদের মুখে রেখেই ৩১ আগস্টের সময়সীমা পার হয়ে যাবে। আরও হামলার আশঙ্কাও আছে।

ফলে আশু কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার কোনো পথ বাইডেন প্রশাসনের হাতে নেই। তদুপরি নিকট সময়ে আফগানিস্তানে কোনো ধরনের অভিযান চালানোর অর্থ হবে আবারও আফগানিস্তানের চোরাবালিতে পা রাখা। সে জন্য দেশের ভেতরে ও বাইরে কোনো রকমের সমর্থন তিনি পাবেন না। কিন্তু এটাও ঠিক যে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবাজ শক্তিগুলো বাইডেনের ওপরে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চাপ দেবে। বিষয়টির সঙ্গে আবেগ জড়িয়ে পড়েছে; ২০১১ সালের পর আফগানিস্তানে এক ঘটনায় সর্বোচ্চ মার্কিন সেনা নিহতের ঘটনা এটি। ২০১১ সালে এক দুর্ঘটনায় ৩০ জন সৈন্য মারা যান। পরস্পরবিরোধী এসব বিবেচনা বাইডেন প্রশাসনে টানাপোড়েনের সূচনা করবে। তার পরিণতি কী হয়, সেটা আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ নির্ধারকও হয়ে উঠতে পারে।

আলী রীয়াজ যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর, আটলান্টিক কাউন্সিলের অনাবাসিক সিনিয়র ফেলো এবং আমেরিকান ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজের প্রেসিডেন্ট।