ঢাবি শিক্ষার্থী হাফিজের মৃত্যু: কিছুটা অগ্রগতি তদন্তে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্র হাফিজুর রহমানের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে অবিলম্বে দায়ী ব্যক্তিদের বিচার দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো। তবে ঘটনা তদন্তে অগ্রগতি হয়েছে বলে জানায় প্রশাসন।

সাংস্কৃতিক প্রতিভায় এক সময় টিএসসি মাতিয়ে রাখতেন হাফিজুর রহমান। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মুকাভিনয়ের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন আত্মহত্যা, মাদক সেবন, ধর্ষণসহ নানা অসঙ্গতির বিরুদ্ধে। এমন একজন সৃজনশীল শিক্ষার্থী কোনোভাবেই আত্মাহুতির পথ বেছে নিতে পারে না বলে মনে করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো।

ঘটনার দিন হাফিজের সঙ্গে থাকা বন্ধুদের এ মৃত্যুর পেছনে হাত থাকতে বলেও ধারনা করছেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবারও (২৫ মে) বিকেলে রাজু ভাস্কর্যে আয়োজিত মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, এই মৃত্যুর পেছনে লুকিয়ে আছে ভিন্ন কোনো রহস্য।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, এ মৃত্যুর তদন্তে কিছুটা অগগতি হয়েছে। কারও কাছে হাফিজ সম্পর্কে বাড়তি তথ্য থাকলে বিশ্ববিদ্যালয় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তা দিয়ে সাহায্য করারও আহবান জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. এ কে এম গোলাম রব্বানি।
তিনি বলেন, দুটো তদন্ত চলছে, একটা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব প্রক্রিয়ায় তদন্ত করছে। আর একটি আইনি প্রক্রিয়াতে জোর তদন্ত চলছে। এই তদন্তের মাঝে কিছু অগ্রগতি আছে। বিশ্ববিদ্যালয় যে তদন্ত করছে তারাও ইতোমধ্যে প্রাথমিক কাজগুলো সম্পন্ন করছে। কিছু কথা বলছি, কিছু কথা বলছি না, একবারে জানি না বললে সেটা সঠিক হবে না।

এক সপ্তাহ নিখোঁজ থাকার পর শনিবার ঢাকা মেডিকেলের মর্গ থেকে মেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার বিভাগের শিক্ষার্থী হাফিজুরের। এর আগে গত ১৫ মে শহীদ মিনারের সামনে একটি ডাবের দোকান থেক দা নিয়ে হাফিজ নিজ গলায় চালান বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।