ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার হচ্ছেন অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের অধ্যাপক মমতাজ উদ্দীন আহমেদকে বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রেজারার পদে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকটি সূত্রে জানা গেছে, অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমদই পরবর্তী ট্রেজারার হচ্ছেন।

জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্যবিদায়ী ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিনের মেয়াদ পূর্ণ হয় গত ১১ জুলাই। এরপর থেকে শূন্য রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক কার্যক্রম সম্পাদনের গুরুত্বপূর্ণ এ পদ।

শূন্য হওয়ার পর ট্রেজারার পদে নতুন নিয়োগের উদ্যোগ নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নিয়োগ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ট্রেজারার পদে নিয়োগের জন্য নাম প্রস্তাব করে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে নথি পাঠিয়েছে মন্ত্রণালয়। সেখান থেকে প্রস্তাব পাঠানো হবে বঙ্গভবনে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি ট্রেজারার পদে নিয়োগ প্রদান করবেন। পরবর্তীতে সেটি প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট প্রণয়ন, দৈনন্দিন অর্থনৈতিক কার্যক্রম, উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়নসহ সার্বিক আর্থিক কার্যক্রম দেখভাল করেন ট্রেজারার। ট্রেজারার পদে কে নিয়োগ পাচ্ছেন— এ নিয়ে বেশ জল্পনা বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে। পদটিতে নিয়োগ পাওয়ার দৌড়ে অনেক বিভাগের চেয়ারম্যান ও জ্যেষ্ঠ অধ্যাপকের নামও শোনা যাচ্ছিল। এর মধ্যে অধ্যাপক মমতাজের পাশাপাশি আলোচনায় ছিলেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মুশফিক মান্নান চৌধুরী ও একই বিভাগের অধ্যাপক মো. আলী আক্কাস, ম্যানেজমেন্ট এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আকরাম হোসেন, মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুর রহমান ও একই বিভাগের তার স্ত্রী অধ্যাপক ড. মুবিনা খন্দকার ও ব্যবসায় প্রশাসন ইন্সটিটিউটের (আইবিএ) অধ্যাপক ড. ফারহাত আনোয়ার।

তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের সূত্রগুলো ট্রেজারার পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্টিং ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের এ শিক্ষককে সবচেয়ে এগিয়ে রেখেছেন।

নতুন কোষাধ্যক্ষ নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও ট্রেজারার— এ পদগুলোর নিয়োগ প্রদান করে থাকেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও মহামান্য রাষ্ট্রপত। পদ শূন্য হওয়ার বিষয়ে তিনি অবগত। দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট দফতর এ পদে নিয়োগের প্রক্রিয়াও ‍শুরু করেছে।