ডিভোর্সের পরও হৃত্বিক-সুজানার ‘বন্ধুত্ব’

বলিউডের অন্যতম হ্যান্ডসাম অভিনেতা হৃত্বিক রোশান। নিজের অভিনয়, সুঠাম দেহ ও অসাধারণ নাচের জন্য সহজেই মন কেড়েছিলেন ভক্তদের। তার সৌন্দর্য ও অভিনয়ে মুগ্ধ আট থেকে অষ্টাদশী। হ্যান্ডসাম এই তারকার জীবনে ভালবাসার মানুষের অভাব হয়নি।

তারকা বনে যাওয়ার আগেই হৃত্বিক ভালবেসে বিয়ে করেছিলেন সুজানা খানকে। ২০০০ তাদের বিয়ে হয়। সে বছরই ফিজা ও পরের বছর কাভি খুশি কাভি গাম সিনেমা তাকে বিশেষ খ্যাতি এনে দেয়। এরপর কাহো না প্যায়ার হ্যায় সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবার প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন হৃত্বিক। এই ছবিটি বক্স-অফিসে সাফল্য অর্জন করেছিল এবং এতে অভিনয় করে হৃতিক বেশ কয়েকটি পুরস্কারও অর্জন করেছিলেন। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি বলিউড অভিনেতাকে।

এরমধ্যে দুই সন্তানের বাবাও হয়ে গেছেন, কিন্তু খ্যাতির সঙ্গে সঙ্গে সম্পর্কে চিরও ধরতে শুরু করে হৃতিকের জীবনে। ভালবাসার মানুষ কেন যেন পর হয়ে যায় তার। গুঞ্জন উঠতে শুরু করে তাদের বিচ্ছেদের। সুজানা হৃতিকের বাড়ি ছেড়ে দেন। এরপরে ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে সুজানা ও হৃত্বিক ঘোষণা করেন যে, তারা তাদের সতেরো বছরের সম্পর্কে ইতি টানছেন। তার আগের মাসেই বাদ্রা পারিবারিক আদালতে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়েছিল।

তবে বিচ্ছেদ নিয়ে তখন কেউই তেমন মুখ না খুললেও হৃতিকের বাবা রাকেশ জানিয়েছিলেন, সুজানার তাদের বাড়ি পছন্দ করেনি, তাই চলে গেছে। যদিও এই বিষয়ে সুজানা পরবর্তীকালে পরিষ্কার করলেও তিনি কখনই হৃত্বিককে দোষারোপ করেননি। তবে অবশেষে ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে হৃত্বিকের ডিভোর্সের কারণ তুলে ধরেছেন।

সেই প্রতিবেদনে হৃত্বিক জানান, তার নিজের খামখেয়ালিতে তাদের ডিভোর্স হয়েছে। তিনি সেই মুহূর্তে অনেকের সঙ্গেই সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন, যা কারও পক্ষেই সহ্য করা সম্ভব নয়। এমনকি এরপরে অভিনেত্রী কঙ্গনার সঙ্গেও তিনি সম্পর্কে জড়ান, যার জন্য পরে ক্ষমাও চেয়েছিলেন হৃত্বিক।

তবে হৃত্বিক ও সুজানার এখনও বন্ধুত্বের সম্পর্ক রয়েছে। দু’জন এখনও তাদের সন্তান নিয়ে ঘুরে বেড়ান, একে অপরের পরিবারে যাওয়া-আসাও করেন।