ডাকসুর মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিতেই দায়িত্ব পালন করতে চান নুর ও রাব্বানী, আপত্তি সাদ্দামের

নির্বাচনে জয়ী হবার পর থেকে কখনোই মতের মিল না হলেও, দায়িত্ব না ছাড়ার প্রশ্নে এক সুরে কথা বললেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসুর ভিপি নূরুল হক ও জিএস গোলাম রব্বানী। তবে এজিএস সাদ্দাম হোসেন সময় বাড়ানোর বিপক্ষে।

অনেক আশা জাগানিয়া নির্বাচনের পরে গত বছরের ২৩ মার্চ দায়িত্ব নেয় ডাকসু নেতৃবৃন্দ। মেয়াদ ৩৬৫ কার্যদিবস। গঠনতন্ত্রনুযায়ী নির্বাচন না হলে বাড়তি আরও ৯০দিন।

কিন্তু পুরো কার্যকালে গণতন্ত্রের সূতিকাগার খ্যাত এই সংসদ ছিল বিষোদগার ছড়ানোর কেন্দ্রস্থল। ভিপি-জিএসের পারস্পরিক কাদা ছোঁড়াছুড়ি ছিল তুঙ্গে। দুর্নীতি-জালিয়াতি ইস্যুতে তাদের সমর্থকরাও জড়ান আন্দোলন, কিংবা হামলা-মামলায়।

ডাকসুর ইতিহাসে আলোচিত এই কমিটির মেয়াদ শেষ। এপর্যায়ে এসে চেনা দৃশ্যের বিপরীত মঞ্চায়ন। চলমান কাজ শেষ করার অজুহাতে একাট্টা ভিপি-জিএস। আপাতত তারা দায়িত্ব ছাড়তে নারাজ।

সারা বছর জিএসের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে থাকলেও এই ইস্যুতে আবার ভিন্ন সুর এজিএস সাদ্দাম হোসেনের ।

আদতে ডাকসুর ভবিষ্যৎ কোন পথে, সে প্রশ্নে নিয়মের ব্যতয় না করার প্রত্যয় সভাপতি নূরুল হকের কণ্ঠে।

নিয়মানুযায়ী ডাকসুর ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান।

মহামারি শেষে ক্যাম্পাস খুললে, নিয়ম মেনে ফের নির্বাচন হবে কিনা, সেই চিন্তাই ঘুরপাক খাচ্ছে ভোটারদের মনে।