ট্যাঙ্ক থেকে অত্যাধুনিক অস্ত্র, চিনকে কড়া জবাব দিতে লাদাখে লঞ্চ হল এয়ার মিসাইল

এবার যেনো পরিস্থিতি একবারে হাতের বাইরেই চলে যাবে বলে মনে হচ্ছে, কারণ সীমান্তের উত্তেজনা আরও দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। কারণ চিন একেবারে সহ্যের সীমা পার করে দিয়েছে ভারতের। এর পরেই ভারত প্রস্তুতি নিচ্ছে, ভারত জানিয়ে দিয়েছে এবার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। কারণ এবার ছেড়ে কথা বল আহবে না। এর জন্য ভারত ইতিমধ্যে শক্তিশালী টি নাইন্টি ভীষ্ম ট্যাঙ্ক মজুত করেছে সীম্নাতে। সাথে বায়ুসেনা ও নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হয়েছে। এয়ার মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমও তৈরী একেবারে, যেটার দ্বারা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা করা যায়।

ভারত যে ইতিহাসের থেকে শিক্ষা নিয়েছে সেটা বোঝাই যাচ্ছে, আর কোনো ধরনের ভূল না, কোনোভাবেই যেনো কোনো কিছুর ফাক ফোকর না থাকে সেটা ভারত এবার করতে চলেছে। চিন কপ্টার এখন ভারতের নিয়ন্ত্রণ রেখা থেকে ১০ কিমি দূরেই চক্কর খাচ্ছে। চিনা সেনারাও বিভিন্ন সামরিক অস্ত্র মজুত করেছে, তবে ভারত কোনোভাবেই পিছিয়ে নেই। যদি চিনের তরফ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়, তাহলে ভারত তার জবাব দেওয়ার জন্য একেবারে তৈরী।

এদিকে আকাশে উড়ছে আপাচে হেলিকপ্টার, সাথে আগামী কয়েক্মাসের মধ্যেই রাশিয়ার কাছ থেকে ভারতের হাতে আসবে এয়ার মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম। চিনের তরফ থেকে যেকোনো কিছু করতে পারে, লাল সেনার চপার যেকোনো দুঃসাহস দেখাতে পারে। তাই এবার ভারত সাথে রাখছে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র, যার অব্যার্থ নিশানা, আকাশে থাকা শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান, মিসাইল ও ড্রোনকে সহজেই খতম করে দেওয়ার শক্তি রাখে, এটা সংবাদ মাধ্যম এ এন আই এর তরফ থেকে জানা গেছে।

ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ঘাটি গেড়েছে চিনা সেনারা, তারা এবার বটল নেক পয়েন্ট থেকে শুরু করে, আরও কয়েকটি পেট্রোলিং এর জায়গা দখল করেছে, পিপি টেন টু থার্টিনে তারা পেট্রোলিং করছে, রাস্তা আটকে, যার ফলে ভারতীয় সেনারা যেতে পারছে না সেই সব জায়গায়। এখানেই শেষ না, ভারত যে আরও আগের থেকে অনেকটাই প্রস্তুত সেটা বোঝা যাচ্ছে, কারণ তারা এবার লাদাখে সেনা মোতায়েন করেছে, সেখানে গোর্খা বাহ্রতীয় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে, যার কাছে চিনা সেনারা কুপোকাত, ৭ টি রেজিমেন্টের ৪০ হাজারের মতো সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। সাথে বায়ুসেনাও তৈরী আকাশে উড়তে দেখা যাচ্ছে এয়ার ফোর্সের হেলিকপ্টার চিনুক ও ফাইটার জেট।