টিকটক: শখের পরিণতি আসক্তি

টিকটক অ্যাপ কেউ ভিডিও করছেন অর্থ উপার্জনের জন্য কেউবা শখের বসে। অনেকেই এইসব ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে বনে যাচ্ছেন তারকা। সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, এই ধরনের ছোট ছোট ভিডিও আসক্তির পর্যায়ে গেলে তা তরুণ সমাজের জন্য ক্ষতিকর।
রাজধানীর রাস্তায় হঠাৎ এমন অঙ্গভঙ্গি দেখে যে কেউ প্রথমে অবাক হবেন হতে পারেন। একটু ভালভাবে দেখলে বোঝা যাবে ভিডিও ধারণ হচ্ছে টিকটকের জন্য। শুধু সাধারণ জন নন টিকটক আসক্তিতে সেলিব্রেটি, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণি-পেশার তরুণও।

কেবল মজা বা ব্যঙ্গ নয়, অর্থ উপার্জনের জন্যও এই মাধ্যমটি দারুণ জনপ্রিয়। অবশ্য টিকটকের মতো লাইকি সহ আরও বেশ কিছু অ্যাপ রয়েছে সেগুলোও সামাজিক যোগাযোগ বেশ চলছে।

সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, এই ধরনের অ্যাপ ব্যবহার আসক্তির পর্যায়ে গেলে তা তরুণ সমাজের জন্য ক্ষতিকর। এই সব অ্যাপের ভিডিও শিক্ষামূলক তো নয়ই, বরং তা ব্যঙ্গাত্মক।

বিশ্বের অনেক দেশ জনপ্রিয় এই ভিডিও অ্যাপ টিকটক নিষিদ্ধ করার কথা ভাবছে। বিশেষ করে আমেরিকার অভিযোগ টিকটকের মতো চীনা অ্যাপ তার দেশের নাগরিকদের তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে। একই অভিযোগে টিকটক সহ বেশ কিছু চীনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করেছে ভারত। যদিও চীনা প্রযুক্তি কোম্পানি বাইটডান্স লিমিটেড বলছে, টিকটক ব্যবহারকারীদের তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষায় বরাবর জোর দিয়েছে তারা।