টিএসসিকে যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র বা টিএসসি আধুনিক-পরিবেশবান্ধব ও যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (২৫ মে) সকালে গণভবনে টিএসসির নতুন স্থাপত্য নকশা’ প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হয়। নকশা অবলোকন করে এ নির্দেশনা দেন সরকার প্রধান।
ষাটের দশকের শুরুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্র নির্মাণে প্রথম নকশা প্রণয়নের কাজে হাত দেন গ্রিক স্থপতি কনস্টানটাইন ডক্সাইড। পরবর্তীতে সেই নকশা ধরে পূর্ব পাকিস্তানের এ ঐতিহাসিক স্থাপনাটি চালু হয় ১৯৬৪ সালে।

জানা গেছে, টিএসসি নির্মাণের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলো তিন হাজারের মতো। বর্তমানে সেই সংখ্যা ৪০ হাজারের ঘর পেরিয়েছে, বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর ব্যবহারের উপযোগী করতে নতুন করে ভবনটির নকশা প্রণয়নের সিদ্ধান্ত হয়।
মঙ্গলবার, গণভবনে টিএসসি’র নতুন স্থাপত্য নকশা’ প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হয়। এ সময়, পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনায় প্রকল্পটির বিভিন্ন খুঁটিনাটি দিক পর্যবেক্ষণ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী সরকার প্রধান শেখ হাসিনা।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, নতুন টিএসসি ভবন যাতে আধুনিক, যুগোপযোগী ও পরিবেশবান্ধব হয় সেই ব্যাপারে সজাগ থাকার বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।
বৈঠক শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সময় সংবাদকে জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী চূড়ান্ত নকশার কাজ করবে স্থাপত্য অধিদপ্তর।
তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন, উপস্থাপিত নকশাগুলোর মধ্যে তিনি একটা নকশা বাছাই করেছেন। সেখানে অনেক নির্দেশনা ও পরামর্শও দিয়েছেন।

উপাচার্য আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী উন্মুক্ত প্রান্তর আরও বাড়ানোর কথা বলেছেন। এ নকশাটার নির্দেশনা মোতাবেক উনারা (স্থাপত্য অধিদপ্তর) নতুন করে আনলে প্রধানমন্ত্রী যখন এটা দেখবেন তখন সেটা চূড়ান্ত হবে।
শিক্ষার্থীদের মতের গুরুত্ব দিয়ে নির্দিষ্ট সময়েই দৃষ্টিনন্দন নতুন টিএসসি ভবন নির্মাণ সম্পন্ন করার বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগী নির্দেশ দেওয়া হয় এ বৈঠকে।