জয় দিয়ে মৌসুমের ইতি টানলো ইন্টার মিলান-নাপোলি-এসি মিলান

নিজেদের শেষ ম্যাচে আটালান্টাকে ২-০ গোলে হারিয়েছে ইন্টার মিলান। এ জয়ে ৮২ পয়েন্ট নিয়ে রানার্সআপ হয়েই মৌসুম শেষ করলো নেরাজ্জুরিরা। আরেক ম্যাচে, লাৎসি ও’র বিপক্ষে ৩-১ গোলের জয় পেয়েছে নাপোলি। সিরিআয় নিজেদের শেষ ম্যাচটা জয় দিয়ে স্মরণীয় করে রেখেছে এসি মিলানও। ইব্রাহিমোভিচ, স্যামুদের নৈপুণ্যে ক্যালিয়ারিকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে রসোনেরিরা।

রানার্সআপ হওয়ার দৌড়ে ইন্টার মিলানকে চোখ রাঙাচ্ছিলো আটালান্টা। কিন্তু শেষ ম্যাচ বলে কথা। বীরের মতই জয় উৎসবে রাঙ্গিয়েছে ইন্টার মিলান। আটাল্টার মাঠে মাত্র এক মিনিটে স্বাগতিক সমর্থকদের স্তব্ধ করে দেন অ্যামব্রোসিও। অ্যাশলে ইয়ংয়ের কাছ থেকে বল পেয়ে তা জালে জড়াতে কোন ভুল করেননি এই ইতালিয়ান ডিফেন্ডার। লিড পেয়ে যেন আরো নেশায় পেয়ে বসে কন্তে শীষ্যদের।

২০ মিনিটে নিজেই রাজা বনে যান ইয়ং। এবার আর সহায়তা নয় নিজেই গোল করেছেন। আর তাতেই ব্যবধান ২-০ তে নিয়ে যায় নেরাজ্জুরিরা। বাকি সময় আর চেষ্টা করেও পেরে ওঠেনি আটালান্টা। ২-০ গোলের জয়ে রানার্সআপ হয়েই মৌসুম শেষ করে নেরাজ্জুরিরা। তবে, জিতলেও এক পয়েন্টের আক্ষেপ রয়েই গেল মিলানের। কারণ ৩৮ ম্যাচ শেষে ইন্টার মিলানের সংগ্রহ ৮২ পয়েন্ট। মাত্র এক পয়েন্ট বেশি নিয়েই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে য়্যুভেন্তাস।

ইন্টার মিলানের মতই রাতটা স্মরণীয় করে রাখলো নাপোলি। সান পাওলোতে লাৎসিওর বিপক্ষে ম্যাচের ৯ মিনিটে গোল উৎসবের শুরু করেন ফ্যাবিয়ান রুইজ। তাকে বলের যোগান দিয়েছেন মারটেনস। তবে, আনন্দ টেকেনি বেশিক্ষণ। ২২ মিনিটে লাৎসিওর হয়ে সমতা আনেন ইমোবিল।

৫৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে নাপোলি সমর্থকদের হৃদয়ে প্রাণের সঞ্চার করেন ইনসেইন। ম্যাচ শেষ হওয়ার আগে লাৎসিওর দুর্গে শেষবারের মত হানা দেন পলিটানো। তার গোলেই ৩-১ ব্যবধানে জয় পায় নাপোলি। লিগ শেষে তাদের অবস্থান ৭ম।

আরেক ম্যাচে, ক্যালিয়ারিকে নিয়ে একরকম ছেলেখেলাই খেলেছে এসি মিলান। আগের ম্যাচে ই চ্যাম্পিয়ন য়্যুভেন্তাসকে হারিয়ে চমক দেখিয়েছিলো ক্যালিয়ারি। কিন্তু গুইসেপ্পে মেজ্জায় শুরুতেই অতিথিদের ধাক্কা দেন ক্লাভান। ১০ মিনিটে তার আত্মঘাতী গোলে লিড নেয় এসি মিলান।

৫৫ মিনিটে বুড়ো হাড়ে ভেলকি দেখান ইব্রাহিমোভিচ। সুইডিশ তারকার যাদুতে জয়ের স্বপ্ন বোনে রসোনেরি। ৭ মিনিট পরই স্যামু ক্যাসটেলিজো দলের হয়ে তৃতীয় গোল করেন। ৩-০ গোলের জয়ে মৌসুম শেষ করে এসি মিলান।