জয়ের বিকল্প নেই য়্যুভেন্তাসের, ড্র করলেই কোয়ার্টারে লিঁও

হাইভোল্টেজ আরেক ম্যাচে, ইতালিয়ান লিগ চ্যাম্পিয়ন য়্যুভেন্তাসের প্রতিপক্ষ ফরাসি জায়ান্ট অলিম্পিক লিঁও। প্রথম পর্বে লিঁওর মাঠে ১-০ গোলে হারায়, আসরে টিকে থাকতে জয় চাই য়্যুভদের। আর যে কোন ব্যবধানে ড্র, লিঁওকে পাইয়ে দিবে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকেট। অ্যালিয়েঞ্জ স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায়।

অপেক্ষাটা আরো একটা কমপ্লিট কামব্যাকের। দৃষ্টিটা রোনালদোর দিকে। স্বপ্নটা টিকে থাকার। প্রতিপক্ষ অলিম্পিক লিঁও।

কোভিডের মধ্যেই নিউ নরমাল লাইফে মাঠে ফিরছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। তবে স্বস্তিতে নেই, ক্রিস্টিয়ানোর য়্যুভেন্তাস। প্রথম লেগে ১-০ গোলে হারায় এ ম্যাচে যে জিততেই হবে তাদের। বাঁচিয়ে রাখতে চাইলে ট্রফি পুনরুদ্ধারের স্বপ্ন।

সিরি’আয় উড়তে থাকা য়্যুভদের হঠাৎই যেন ছন্দপতন। শেষ ৪ ম্যাচের তিনটাতেই হার। তাইতো লিঁওর বিপক্ষে মহারণের আগে, দলকে নিয়ে নতুন করে রণকৌশল সাজাতে হবে মাউরিজিও সারিকে। তবে সেখানেও আছে কিন্তু। ইনজুরি যে কেড়ে নিয়েছে ডগলাস কস্তা, মাত্তিয়া দি স্লিগিওকে। অনিশ্চিত কোচের তুরুপের তাস পাওলো দিবালাও। তাইতো চাপটা নিজেদের কাঁধেই নিলেন সারি।

য়্যুভেন্তাস এফসির কোচ মাউরিজিও সারি বলেন, ‘গেলো দুই সপ্তাহ কি হয়েছে সেটা ভুলে যেতে চাই। এটা ভিন্ন একটা টুর্নামেন্ট, ভিন্ন একটা পরিসংখ্যান। ছেলেরা জানে তাদের ঠিক কি করতে হবে। এমন পরিস্থিতিতেও তারা বহুবারই তা করে দেখিয়েছে। আমরা পিছিয়ে আছি এটা ভেবেই মাঠে নামবো। প্রথম মিনিট থেকেই আক্রমণে যাবে দল।’

অস্বস্তি আছে লিঁও-ও। তবে তাদের আছে হারার আগে হেরে না যাওয়ার দৃঢ় মনোবল। আগের ম্যাচে যা টের পেয়েছে পিএসজি। অনুশীলনে শিষ্যদের ঘর সামলানোর টোটকাটাই দিচ্ছেন লিঁও বস রুডি গার্সিয়া।

তবে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় টানা ব্যর্থতায় কিছুটা হলেও ব্যাকফুটে ফরাসি ক্লাবটি। তুরিনোর কোন ক্লাবের বিপক্ষে তাদের মাটিতে কখনই জেতেনি লিঁও। এমন কি এই আসরে প্রতিপক্ষের মাঠে জয়হীন ২০০৬ সাল থেকে। তবুও এবার ভিন্ন কিছুর প্রত্যাশায় গার্সিয়া।

অলিম্পিক লিঁওর কোচ রুডি গার্সিয়া বলেন, ‘হিসেব সহজ। ৯০ মিনিট ওদের ঠেকিয়ে রাখতে হবে। সত্যি বলতে ওরা আমাদের চেয়ে ভালো দল। তাই চাপটা ওদেরই বেশি। আর আমাদের এই সুযোগটাই নিতে হবে।’

এ পর্যন্ত দুই দলের পাঁচবারের সাক্ষাতে য়্যুভেন্তাসের ৩ জয়ের বিপরীতে ১ জয় ও ১ ড্র আছে লিঁওর। তাইতো অপেক্ষাটা আরো এক মহারণে বুঁদ হওয়ার।