চেলসির কাছে কপাল পুড়লো ম্যান ইউনাইটেডের

আবারো চেলসির কাছেই কপাল পুড়লো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ব্লু’দের বিপক্ষে ৩-১ গোলে হারল রেড ডেভিলরা। পহেলা আগস্ট ওয়েম্বলি’র ফাইনালে চেলসির প্রতিপক্ষ আর্সেনাল।

প্রথম সেমিতে ফেভারিটরা পাত্তা পায়নি। কাগজে কলমে শক্তিশালী হলেও, গানারদের কাছে পর্যদস্তু হতে হয়েছে সিটিজেনদের। ওয়েম্বলিতে, দ্বিতীয় সেমিফাইনাল শুরুর আগে, বিষয়টা ভালোভাবেই মাথায় ছিলো ওলে গানার শোলসায়ারের। তাই তো ছন্দে থাকা সেরা ১১ জনকেই একাদশে জায়গা দিলেন ম্যানচেস্টার বস।

দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া চেলসির অবশ্য এতো কিছু ভাবনায় ছিলো না। প্রিমিয়ারের সাম্প্রতিক ফর্মটাই এফ এ কাপে টেনে আনতে মরিয়া ছিলেন ল্যাম্পার্ড। কিন্তু খেলা শুরু হতেই অবাক হতে হয় সমর্থকদের। গোল করা বা করানোতে খুব একটা মনোযোগী ছিল না কোনো দলই। মাঝ মাঠের দখল নিয়ে ধীরলয়ের ফুটবলেই সময়ক্ষেপণ করতে থাকে তারা।

প্রথম ৩০ মিনিটে এগিয়ে যাবার মতো কোনো আক্রমণই হয়নি দলগুলোর পক্ষ থেকে। নিজেদের জাল সুরক্ষিত রাখাই বেশি প্রয়োজনীয় হয়ে ছিল তাদের কাছে। ৩৩ মিনিটে প্রথম গোলের সুযোগ পায় চেলসি। কিন্তু ডেভিড ডি হেইয়ার কল্যাণে বেঁচে যায় ইউনাইটেড। মাউন্টের হেড আটকে দেন স্প্যানিশ গোলরক্ষক। অলিভার জিরুর হেড থেকে লিড নেয় ব্লু’রা।

বিরতি থেকে ফিরে, গুছিয়ে উঠবার আগেই আরো এক গোল হজম করে বসে রেড ডেভিল শিবির। অপরাধী সেই ডি হেইয়া। মাউন্টের দুরন্ত গতির শট বুঝতেই পারেননি তিনি। ২ গোল হজম করার পর টনক নড়ে শোলসায়ারের। মাঠে নামান পগবা আর মার্শিয়ালকে। ততক্ষণে মাঠের দখল ব্লু’দের হাতে। তাও ডেভিলদের চেষ্টা ছিল অবিরাম, কিন্তু ৭৪ মিনিটে তালগোল পাকিয়ে ফেলেন সেন্টার ব্যাক ম্যাগুয়ের। নিজের জালে বল জড়িয়ে ইউনাইটেডের ফাইনাল স্বপ্নের সলিল সমাধি করেন ওয়েম্বলিতে।

খেলা শেষ হওয়ার ৫ মিনিট আগে পেনাল্টি পায় ম্যানচেস্টার। সান্ত্বনার এক গোল পরিশোধ করেন ব্রুনো ফার্নাণ্ডেজ। বাকিটা সময় আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি ওলে গানার বাহিনী। স্বস্তির জয় নিয়ে ফাইনালে উঠে যায় চেলসি।