চবির লকডাউন শেষ আজ, মিলেছে সুফল

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে (চবি) চলমান লকডাউন শেষ হচ্ছে আজ শনিবার। লকডাউনের ফলে মিলেছে সুফল, টানা ১৩ দিন নতুন করে কোনো করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়নি।

এর আগে, করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত পাঁচ জুলাই থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত ১৪ দিনের জন্য ক্যাম্পাস লকডাউন ঘোষণা করে চবি কর্তৃপক্ষ। পরে দ্বিতীয় দফায় তা ৮ দিন বাড়িয়ে ২৫ জুলাই পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।

ক্যাম্পাসে প্রথম করোনা রোগী সনাক্ত হয় গত মাসের ৩ তারিখে। এ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারী সহ প্রায় ৩৯ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। তবে ১২ জুলাইয়ের পর থেকে আর নতুন আক্রান্তের কোনো ঘটনা ঘটেনি। উপাচার্য সহ অনেকে ইতোমধ্যেই সুস্থ হয়েছেন। এছাড়া বাকীরাও আশঙ্কামুক্ত।

এদিকে লকডাউন শেষ হলেও বন্ধ থাকবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসসমূহ। তবে স্থানীয়দের নিরাপত্তার স্বার্থে লকডাউনের পরেও চলবে নজরদারি। বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক বন্ধ রাখা হবে। ভিতরের গাড়ি চলাচল করতে পারলেও বাইরের গাড়ি ক্যাম্পাসে ঢুকতে হলে মানতে করতে হবে কিছু শর্ত। ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি।

এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লকডাউন চলা অবস্থায়ও ক্যাম্পাসের মধ্যে জটলা পাকিয়ে আড্ডা দিতে দেখা গেছে স্থানীয়দের। এমনকি উত্তর ক্যাম্পাসে বহিরাগত কর্তৃক মাছ বিক্রি করতেও দেখা গেছে।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভুঁইয়া বলেন, মাছ বিক্রয়ের খবরটা আমি প্রথম শুনলাম। তবে বিচ্ছিন্নভাবে যে জটলাগুলো দেখা গেছে, অবগত হয়ে আমরা তাৎক্ষনিকভাবে এগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি।

অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রক্টর বলেন, এটা আলোচনা সাপেক্ষ ব্যাপার। এখনও সিদ্ধান্তে যাওয়ার মতো অবস্থানে আমরা পৌঁছাইনি। আমাদের অনেক শিক্ষার্থী আছে বন্যাদুর্গত এলাকার। অনেকের ইন্টারনেট সংযোগ নিম্নমানের। সমস্যা ও সম্ভাবনা উভয় বিষয় মাথায় রেখেই আমরা সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করবো।