ক্লাস্টার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ফেরানোর চিন্তা : নওফেল

স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাস্টারভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ফেরানোর বিষয়ে ভাবা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। তিনি বলেছেন, এজন্য শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর, বয়স এবং শাখাভিত্তিক ডিভিশনে ভাগ করা হতে পারে।

একেকদিন একেক ক্লাস্টারের শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজে আসবে। ক্লাস্টারের আওতায় পড়ে যেদিন শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা শ্রেণিকক্ষে আসবে না তাদের অ্যাসাইনমেন্ট দেয়া হবে। বাড়িতে বসে তারা অ্যাসাইনমেন্টের কাজ করবে। পাশাপাশি অনলাইনে ক্লাস করানো হবে।অর্থাৎ প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার পর সীমিত পরিসরে ক্লাসে উপস্থিত করাটাই হচ্ছে মূল লক্ষ্য। আর এটার কোনো বিকল্প নেই। গত মঙ্গলবার দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ক্লাস্টারভিত্তিক শিক্ষাদান ছাড়াও শিক্ষাটিভি চালু করার জন্য তথ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয়া হয়েছে। শিক্ষাটিভি চালু হলে হয়তো একসঙ্গে মোট জনসংখ্যার ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ দেখবে এবং তা থেকে ১০ থেকে ১২ শতাংশও যদি উপকৃত হয় তাহলেও অনেক শিক্ষার্থী সুফল পাবে।

শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই, শিক্ষার বিকল্প শিক্ষাই কথাটি জানিয়ে তিনি বলেন, করোনায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণে শারীরিকভাবে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা গ্রহণ হয়তো হচ্ছে না। এর বিকল্প খুঁজতে হবে। তবে সব স্তরে এই প্রস্তাব একই রকম নয়। প্রাথমিকে এক ধরনের, মাধ্যমিকে আরেক ধরনের, উচ্চ শিক্ষায় অন্য মাত্রার সংকট রয়েছে।

তিনি বলেন, স্তরভিত্তিক শতভাগ শিক্ষার্থীকে শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত করতে হলে টিকার কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু ১৮ বছরের নিচে কাউকে টিকা দেয়া হচ্ছে না। সেক্ষেত্রে কি করা হবে? এজন্য বিকল্প পথ খুঁজতে শিক্ষাবিদদের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে। শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড থেকে অ্যাসাইনমেন্ট প্রণয়ন করা হচ্ছে। বিভিন্ন অলিম্পিয়াড কমিটির সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে। অর্থাৎ সব বিষয়কে সহজবোধ্য করে শিক্ষার্থীদের সামনে পরিবেশন করার কৌশল নির্ধারণের কাজ চলছে। যাতে শিক্ষার্থীরা আনন্দের সঙ্গে শিক্ষা গ্রহণ করে।