করোনায় চাহিদা মেটাতে আরও ৪৩টি অক্সিজেন ট্যাঙ্ক

করোনাভাইরাসের ফলে রোগীর ফুসফুস সবচেয়ে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। করোনায় শ্বাসকষ্ট একটি প্রধান সমস্যা, ফলে এই মহামারীতে হাসপাতারগুলোয় অক্সিজেনের চাহিদা বহুগুণে বেড়ে গেছে। এ অবস্থায় অক্সিজেনের চাহিদা মেটাতে আরও ৩৪টি লিকুইড অক্সিজেন ট্যাঙ্ক স্থাপনে কাজ চলমান রয়েছে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

আজ সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে তিনি এসব তথ্য জানান।

অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা বলেন, করোনা মহামারী পরিস্থিতির আগে সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট লিকুইড অক্সিজেন ট্যাঙ্ক ছিল মাত্র ২২টি। করোনা সংক্রমণের পর পরিস্থিতি বিবেচনায় আরও ৮টি ট্যাঙ্ক স্থাপন করা হয়েছে। বড়তি চাহিদার কথা বিবেচনায় এখন আরও ৪৩টি লিকুইড অক্সিজেন ট্যাঙ্ক নির্মাণের কাজ চলছে।

তিনি আরও বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে ন্যাশনাল ইলেকট্রো মেডিকেল ইক্যুইপমেন্ট মেইনটেন্যান্স ওয়ার্কশপ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (নিমিউ) ৬টি লিকুইড অক্সিজেন ট্যাঙ্ক স্থাপন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি অধীনে আরও ২০টি প্রতিষ্ঠানে ট্যাঙ্কের নির্মান কাজ চলছে। এছাড়াও স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সম্প্রতি নিজস্ব উদ্যাগে একটি অক্সিজেন ট্যাঙ্ক স্থাপন করেছে। নিজস্ব উদ্যোগে সরকারি হাসপাতালে স্থাপিত অক্সিজেন ট্যাঙ্ক স্থাপন করা হয়েছে একটি। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে ২৩টি প্রতিষ্ঠানে লিকুইড অক্সিজেন ট্যাঙ্ক নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে বলেও জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক।

এ সময় দেশে অক্সিজেনের মজুদের তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, সারা দেশে অক্সিজেন সিলিন্ডারের রয়েছে মোট ১২ হাজার ৩৪১টি। হাই ফ্লো নেজাল ক্যানোলার রয়েছে ৩০৫টি এবং ১১২টি অক্সিজেন কনসেনট্রেটর রয়েছে ।

এছাড়াও হেলথ বুলেটিনে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের করোনা পরিস্থিতি তুলে ধরে ডা. নাসিমা বলেন, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২ হাজার ৯৬৫ জনে। এ সময়ে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ২ হাজার ৭৭২ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ২২৫ জন।