করোনার টিকা আসার সঠিক সময় জানাল চীনের সিনোভ্যাক

করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে শক্ত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে জনসন অ্যান্ড জনসনের ভ্যাকসিন। জনসন অ্যান্ড জনসন বলছে, প্রায় এক হাজার মানুষের দেহে প্রয়োগ করা এ টিকা যথেষ্ট সহনশীল হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। এদিকে, আগামী বছরের শুরুতেই করোনার টিকা বাজারে নিয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছে চীনা ফার্মাসিউটিক্যাল ফার্ম সিনোভ্যাক।

প্রাথমিক ট্রায়ালে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধী সক্ষমতা দেখিয়েছে জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকা। গত জুলাইয়ে বানরের ওপর ট্রায়ালে শক্তিশালী সুরক্ষা পাওয়ার কথা জানায় তারা। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সযোগিতায় পরীক্ষা চালানো এ ভ্যাকসিন বয়স্ক এবং তরুণদের মধ্যে একই রকম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরিতে সক্ষম কিনা সেই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। প্রাথমিক পরীক্ষায় সফলতার পর ভ্যাকসিনটির তৃতীয় ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হয়েছে। এতে অংশ নিচ্ছে ৬০ হাজারের মতো স্বেচ্ছাসেবী। যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকাটির পরীক্ষা চালানো হবে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, চিলি, কলম্বিয়া, মেক্সিকো, পেরু ও দক্ষিণ আফ্রিকায়। চলতি বছরের শেষে জানা যাবে চূড়ান্ত ট্রায়ালের ফলাফল।

চূড়ান্ত ধাপের পরীক্ষায় থাকা কোভিড-১৯-এর একটি টিকা আগামী বছরের শুরুর দিকে ব্যাপকভাবে বাজারে আনার কথা জানিয়েছে চীনা ওষুধ কোম্পানি সিনোভ্যাক। বর্তমানে এটি ব্রাজিল, ইন্দোনেশিয়া ও তুরস্কে চূড়ান্ত ধাপের পরীক্ষায় রয়েছে। এছাড়া, করোনা সম্ভাব্য টিকার ১শ’ কোটি ডোজ প্রতি বছর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে চীন।

করোনাজয়ী রোগীর অ্যান্টিবডি থেকে প্রথমবারের মতো প্যাসিভ বা পরোক্ষ ভ্যাকসিন উদ্ভানের দাবি করেছেন জার্মান গবেষকরা। তারা বলছেন, অ্যাক্টিভ ভ্যাকসিনের তুলনায় প্যাসিভ ভ্যাকসিন অনেক বেশি দ্রুততার সঙ্গে শরীরে কাজ শুরু করে। চলতি বছরের প্রথম দিকে শুরু হতে পারে এর প্রথম ট্রায়াল।