করোনাকালে ‘ইন্সপায়ার বাংলাদেশ’র শিক্ষাবৃত্তি

রোনাকালে পাশে দাঁড়াতে মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত ও অসচ্ছল পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘অনির্বাণ’ শিক্ষাবৃত্তি দিচ্ছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইন্সপায়ার বাংলাদেশ। ‘স্কলারশিপ ফর বাংলাদেশ’ প্রকল্পের আওতায় ‘ইয়ুথ হাব’-এর সঙ্গে যৌথ আয়োজনে ‘এনআরবি সাপোর্ট’ এবং ‘এসো সবাই’-এর সহযোগিতায় এ শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে।

সংগঠনটির উদ্যোক্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, এ শিক্ষাবৃত্তির আওতায় ৭শ’ শিক্ষার্থীকে এককালীন দুই হাজার করে টাকা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এরই মাঝে ৫২ শিক্ষার্থীর হাতে বৃত্তির টাকা তুলে দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, করোনা পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির আওতায় দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকলেও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের ফি দিতে হচ্ছে। বিশেষ করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে নতুন সেশনের নিবন্ধন ফিসহ অন্যান্যা ফি দিতে হচ্ছে। এতে করে বিপাকে পড়েছেন মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত ও অসচ্ছল পরিবারের শিক্ষার্থীরা। তাদের সাহায্য করতেই এই বৃত্তির উদ্যোগ।

ইন্সপায়ারিং বাংলাদেশ’র প্রতিষ্ঠাতা ইমরান ফাহাদ বলেন, ‘স্কলারশিপ ফর বাংলাদেশ’ থেকে আমরা দুটি কর্মসূচি নিয়ে কাজ করছি। এর মধ্যে অন্যতম এই ‘অনির্বাণ’ শিক্ষাবৃত্তি। আমরা মনে করি এ বৃত্তি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত বিনির্মাণে কিছুটা হলেও ভূমিকা পালন করবে। আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা করোনা পরিস্থিতিতেও বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে সহায়তা করবে বলে আমরা মনে করি।

ইমরান ফাহাদ আরও বলেন, মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত ও অসচ্ছল পরিবারের অনেক শিক্ষার্থী আছেন যারা পড়াশুনার পাশাপাশি টিউশনি করেন বা বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে পড়ান, কেউবা পার্ট টাইম চাকরি করেন। নিজের পড়াশোনার খরচ চালানোর পাশাপাশি কেউ কেউ এভাবে পরিবারেও সাপোর্ট দেন । কিন্তু করোনার কারণে এখন সবকিছু বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে তারা আরও বিপাকে পড়েছেন। এটি যেহেতু অনানুষ্ঠানিক খাত, ফলে তারা তেমন কোনো সাহায্য পাবেন বলেও আশা রাখেন না। তাই আমরা এ খাতে কিছুটা সাহায্য করার প্রচেষ্টা নিয়েছি।

‘এসো সবাই’-এর অন্যতম উদ্যোক্তা দিদারুল আলম সানি বলেন, এটা খুবই মহৎ উদ্যোগ। যাদের কথা কেউ ভাবছে না, আমরা তাদের জন্য কিছু করার চেষ্টা করছি। আমাদেরও সীমাবদ্ধতা আছে, তবুও চেষ্টা করছি। আশা করি এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবেন।