এবার যুক্তরাষ্ট্রেও বাতিল হচ্ছে টিকটক

ভারতের সাথে তাল মিলিয়ে এবার চীন ভিত্তিক সামাজিক মাধ্যম টিকটিক বন্ধ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। অ্যাপসের মাধ্যমে মার্কিন নাগরিকদের তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে চীন সরকার, এমন অভিযোগ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। তবে, পম্পেওর এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে টিকটক।

গেল মাসে লাদাখে ভারতীয় সেনাদের সঙ্গে চীনা সেনাদের সংঘর্ষের জেরে টিকটকসহ চীন ভিত্তিক ৫৯টি অ্যাপস বন্ধ করে দেয় মোদি সরকার। এবার সেই পথেই ভারতের মিত্র যুক্তরাষ্ট্র।

সোমবার ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রে টিকটক বন্ধের ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও।

তিনি বলেন, টিকটকসহ বেশ কয়েকটি চীনা ভিত্তিক অ্যাপস যুক্তরাষ্ট্রে বন্ধ করা হতে পারে। অ্যাপসগুলোর মাধ্যমে মার্কিন নাগরিকদের তথ্য হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন পম্পেও।

এদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছে টিকটক। এক বিবৃতিতে কোনো গ্রাহকের তথ্য চীন সরকারকে হস্তান্তর করা হয় না বলে দাবি করেছে সামাজিক মাধ্যমটি। একইসঙ্গে টিকটকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা একজন মার্কিন নাগরিক বলেও উল্লেখ করা হয়।

এরমধ্যেই, হংকংয়ে নিজেদের কার্যক্রম স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে জনপ্রিয় সামাজিক মাধ্যম টিকটিক। হংকংয়ে বিতর্কিত জাতীয় নিরাপত্তা আইন পাশের পর চীন সরকার গ্রাহকদের তথ্য হাতিয়ে নেবে এমন অভিযোগ উঠার পরপরই এমন সিদ্ধান্ত নিলো জনপ্রিয় মাধ্যমটি।