আমি মরতে চাই না’, বলার পরই ছেলেটিকে গুলি করে হত্যা

যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলের আন্দোলন প্রাঙ্গণ সিএইচওপিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে ১৬ বছরের এক গৃহহীন কিশোর। আন্তোনিও মেয়েস জুনিয়র সোমবার (২৯ জুন) সকালে সিএইচপি’র কাছে নিহত হন। এ সময় আহত হয় ১৪ বছরের আরেকজন বন্ধু। 

মৃত্যুর আগে যখন তাদের উপর গুলি চলছিল তখন মেয়েস ফোন করেছিল বন্ধু সিয়ারা ওয়াকারকে। আর তখনি শেষ মুহূর্তে বাঁচার আকুতি করে সে বলে, আমি মরতে চাই না।

এই দুই কিশোরের ২৫ বছর বয়সী বন্ধু সিয়ারা ওয়াকার ঐ দুই ছেলেকে তার ‘রাস্তার ভাই’ বলে বর্ণনা করেন এবং বলেন, যে মেয়েস জুনিয়র এবং অন্য কিশোরটি নিকটস্থ ক্যাল অ্যান্ডারসন পার্কের একটি তাঁবুতে তার এবং তার স্বামীর সাথে বসবাস করছিল।

তিনি ডেইলিমেইল ডটকমকে এক একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেন, ঐ ছেলেরা একজনের কাছ থেকে গাড়িটি চুরি করেছিল। তাদের ওপর যখন গুলি চলছিল তখন সে তাদের সাথে ফোনে কথা বলছিল। ওয়াকার বলেছেন: ‘আমি সবশেষে যা শুনেছি তা ছিল ধ্বংস হবার শব্দ। তাদের মধ্যে একজন বলেছিল, আমি আঘাত করছি, আমি মরে যেতে চাই না। তারপরে ফোনটি কেটে যায়।’ এসময় কিশোরদের কাছে কোনো অস্ত্র ছিল না বলেও তিনি মনে করেন।

এসময় প্রায় তিনশো রাউন্ড গুলির শব্দ শোনা যায় ঘটনাস্থলে। পরবর্তীতে বুধবার সিয়াটেল পুলিশ সিএইচওপি এর সম্পূর্ণ জায়গাটি মেয়রের নির্দেশে পূর্ববর্তী অঞ্চলটি পুনরুদ্ধার করেছে, ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।