আপনার কিডনির যত্ন নিন, সুস্থ থাকুন

আপনার কিডনি সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা জেনে নিন। তার জন্য একটি সেরাম ক্রিয়েটিনিন টেস্ট করতে পারেন। সেরাম ক্রিয়েটিনিন নরমাল লেভেল হচ্ছে 1.2 mg/dl. দুর্ভাগ্যবশত এই লেভেল যদি 1.5 mg/dl হয়ে যায়, তাহলে বুঝবেন কিডনির কার্যকারিতা ২৫ ভাগ শেষ, অথবা ২৫ ভাগ কিডনি অকেজো হয়ে গেছে।

আর এই লেভেল 2 mg/dl হলে বুঝতে হবে আপনার ৫০ ভাগ কিডনি অকার্যকর হয়ে গেছে। যদি এই লেভেল 3.5 mg/dl হয়ে যায়, তার মানে কিডনির ৭৫ ভাগ কার্যকারিতা শেষ, অর্থাৎ ৭৫ ভাগ কিডনি অকেজো হয়ে গেছে।

আশঙ্কার কথা হলো: যাদের দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ (সিডিসি) রয়েছে, তারা মূলত তা বুঝতে পারেন ৫০-৭৫% ড্যামেজ হওয়ার পর। কারণ সিডিসির উপসর্গ দেখা দেয় মূলত ৭৫ ভাগ কিডনি অকেজো হওয়ার পর। এর আগে উপসর্গহীন (Asymphtomatic) থাকে। ফলে রোগী নিজের অবস্থা বুঝতেও পারেন না, চিকিৎসাও নেন না।

এ ক্ষেত্রে নিরাপদ হলো: প্রতি তিন মাস অন্তর একবার সেরাম ক্রিয়েটিনিন করে নেওয়া।

বিশেষ করে যাদের বয়স ৫০ এর উপরে তারা যদি পর্যাপ্ত খাবার রুচি থাকার পরেও শরীরে দুর্বলতা অনুভব করেন, কিংবা বাহ্যিক কোনো কারণ ব্যতিত খাবারের রুচি কমে যায়, কিংবা চলতে-ফিরতে কষ্ট লাগে। তাহলে একটা রক্তের CBC এবং সেরাম ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষা করে নেন।

এছাড়া যাদের হাইপ্রেশার রয়েছে, তারা যদি চিকিৎসা না নেন এবং নিয়মিত ওষুধ সেবন না করেন তাহলে তাদের কিডনি অকেজো হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে ৮০ ভাগ।

মনে রাখবেন ডায়াবেটিস থেকেও কিডনি অকেজো হয়ে যায়। আর যাদের গলায় ইনফেকশনজনিত কোনো ব্যথা আছে, অথচ কোনো চিকিৎসা নেননি তাহলে তাদেরও কিডনি ড্যামেজ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Source: মেডিভয়েস