অনলাইনে মৌখিক পরীক্ষা নেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে বন্ধ রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ (ঢাবি) দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের সেশনজট এড়াতে আগে থেকেই অনলাইনে পাঠদান কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাবি কর্তৃপক্ষ। এবার মৌখিক পরীক্ষাও অনলাইনে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার অনলাইন প্লাটফর্ম জুমের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

সভায় প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, সকল অনুষদের ডিন, সকল বিভাগের চেয়ারম্যান, সকল ইনস্টিটিউটের পরিচালক, সকল ব্যুরো/গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক এবং সংশ্লিষ্ট অফিস প্রধানরাও সংযুক্ত ছিলেন।

পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ওই সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বর্ষের যে সকল শিক্ষার্থীর লিখিত, ব্যবহারিক ও অন্যান্য পরীক্ষা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে, কিন্তু কোভিড-১৯ উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মৌখিক পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি, তাদের ফলাফল চুড়ান্ত করার স্বার্থে মৌখিক পরীক্ষা নীতিমালার আলোকে অনলাইন প্লাটফর্মের মাধ্যমে গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একইসঙ্গে কোন শিক্ষার্থী এই পরীক্ষা কার্যক্রমের সুবিধাপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত না হয় সেজন্য ব্যবস্থা রাখতে হবে।

‘এছাড়া সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বর্ষের যে সকল শিক্ষার্থীর লিখিত, ব্যবহারিক ও অন্যান্য পরীক্ষা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে, কিন্তু কোভিড-১৯ উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মৌখিক পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয় নি, তাদের ফলাফল চুড়ান্ত করার স্বার্থে মৌখিক পরীক্ষা নীতিমালার আলোকে অনলাইন প্লাটফর্মের মাধ্যমে গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একইসঙ্গে কোন শিক্ষার্থী এই পরীক্ষা কার্যক্রমের সুবিধাপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত না হয় সেজন্য ব্যবস্থা রাখতে হবে’-সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে যোগ করা হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ক্যাম্পাসে স্বশরীরে শিক্ষার্থীদের অসমাপ্ত লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষা গ্রহণ বিষয়ে বিভাগ/ইনস্টিটিউট/অনুষদ ভিত্তিক সমীক্ষা প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। এতদ্ববিষয়ে সংশ্লিষ্ট ডিন/পরিচালক সমন্বয় করবেন। পরবর্তীতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এছাড়া সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাদানকল্প মেডিকেল কলেজ এবং স্নাতকোত্তর চিকিৎসা বিজ্ঞান ও গবেষণা অনুষদের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাসমূহ গ্রহণের লক্ষ্যে দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি কৌশলপত্র প্রণয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট ডিনবৃন্দকে অনুরোধ করা হয়। চিকিৎসাসেবা বিবেচনায় বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।